নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - মহা সমারোহে ২৯তম গীতা জয়ন্তী মহোৎসব পালিত হলো মায়াপুর ইসকনে। গত ২৫শে নভেম্বর থেকে ১লা ডিসেম্বর, ৭ দিন ব্যাপী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার ভক্ত সমন্বয়ে পালিত হয়েছে গীতা জন্ম জয়ন্তী উৎসব। ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় উৎসবটি। মূল লক্ষ্য ছিল ভক্তদের গীতাপাঠের মধ্যে দিয়ে জ্ঞান অর্জন করানো। মানুষের জীবনের একটা সময় অতি ব্যস্ততার মধ্যে কেটে গেলেও মানুষ তার অস্তিত্ব, সংস্কৃতি ভুলে যায়। কিন্তু গীতা পাঠ মানুষের জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার মধ্যে রয়েছে জ্ঞানচক্ষুর অন্যতম নিদর্শন।

নদীয়ার মায়াপুর ইসকনের চন্দোদয় মন্দিরে এই উৎসবে শামিল হয়েছিল দেশী বিদেশী হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ। জগতের মঙ্গল কামনার জন্যই প্রত্যেক বছর এই উৎসবের আয়োজন করে থাকে মায়াপুর ইসকন কর্তৃপক্ষ। তবে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে ইসকন। আগত ভক্তবৃন্দদের জন্য রয়েছে সুব্যবস্থা। আলোক শয্যায় সজ্জিত করা হয় গোটা মায়াপুর ইসকনকে। ভক্তদের সমৃদ্ধি শান্তি তথা জগতের মঙ্গল কামনায় মহা সমারহে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২৯তম গীতা জন্মজয়ন্তী উৎসব।

ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাসের কথায় ," এখানে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক ভক্ত অংশগ্রহণ করেছিল। প্রতিদিন কমপক্ষে দশ হাজার ভক্তের আগমন ঘটেছিলো। মানব হৃদয়কে আলোর পথে উদ্ভাসিত করার জন্যই এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল। মানব জীবন থেকে মুক্তি লাভের একমাত্র উপায় হলো গীতা পাঠ। প্রত্যেক হৃদয়ে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক, ঘরে ঘরে পাঠ শুরু হোক গীতা ।"
একসময় উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ত্যারেয়া ফেলার মাধ্যমে শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল
এই বিশ্বাসের পেছনে জ্যোতিষশাস্ত্র ও আগমশাস্ত্রের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যা বহু মানুষ আজও মানেন
হিন্দু পুরাণে যক্ষদের অধিপতি হিসেবে পরিচিত কুবের যিনি ধনসম্পদের দেবতা এবং উত্তর দিকের দিকপাল
কাশে বাতাসে প্রতিধ্বনি হল সেই চিরন্তন সত্য নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান , বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান
উদ্যোগটি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় মহলে
ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেনাকাটার আয়োজন
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর