নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ফিল্মি কায়দায় চোর ধরলেন সাহসী যুবক। পার্ক সার্কাস থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে ক্যানিং থানায় ধরিয়ে দিলেন এক যুবক। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ক্যানিংয়ে। বাহবা পেয়েছেন ওই সাহসী যুবক। মোবাইল ফোনটি এখনও উদ্ধার করা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর , ধৃতের নাম দানিশ শেখ। পার্ক সাকার্সের একটি বেসরকারি অফিসে কর্মরত সম্রাট নস্কর। ক্যানিংয়ের নিকারীঘাটা পঞ্চায়েতের মৌখালি গ্রামে থাকেন তিনি। প্রতিদিন গ্রামের বাড়ি থেকে যাতায়াত করেন তিনি। অন্যান্য দিনের মতো পার্কসার্কাস ষ্টেশনে বাড়ি আসার জন্য বাসে উঠে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। পার্কসার্কাস আসতেই বাস থেকে নামার আগে বুঝতে পারে মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে।এরপরই সাহসিকতার পরিচয় দিলেন সম্রাট।

ফোন চুরির ঘটনা বুঝতে পেরেই বাসের মধ্যে হইচই শুরু হয়। এমতাবস্থায় চলন্ত বাস থেকে তিন ছিনতাইকারী লাফ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।তাদের দেখে ফেলে সম্রাটও লাফ দেন। ছিনতাইকারীদের পিছু নিয়ে একজনকে ধরেন। বাকি দুজন পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা গণধোলাই দেয় চোরকে এরপর ছিনতাইকারীকে নিয়ে ডাউন ক্যানিং লোকালে চেপে আসে। ক্যানিংয়ের সাতমূুখী বাজারে পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযুক্তকে তুলে দেয় সম্রাট।পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ছিনতাকারী কে গ্রেফতার করে। এরপর চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ধৃতকে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজ করতে তল্লাশি শুরু করেছে তারা।
দানিশ শেখ জানিয়েছেন , "আমি চুরি করিনি। তবুও আমায় ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। ৫ বছর আগে শেষ চুরি করেছিলাম আমি ট্রেনে আর যাতায়াত করিনা। বাসে যাই। আমি পালিয়ে যাচ্ছিলাম না। তখন ফোন চুরির হয়েছে বলে আমায় ওরা ধরে নিয়ে এসেছে। আমি বারবার বলার পরও আমায় ছাড়ছেনা। জিজ্ঞেস করছে। আমি বাকি কাউকে চিনিনা। আমায় ছেড়ে দেওয়া হোক আমি সেটাই চাই।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়