নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এলাকার একাংশের নাম নেই তালিকায়। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে হঠাৎ পল্লীর স্থানীয়দের মধ্যে। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মানবিক দিক নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেদিনীপুর শহরের হঠাৎ পল্লী এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৫৮৮। বসবাসকারীদের বড় অংশের জন্ম বাংলাদেশে। কেউ প্রায় ১৫ বছর, কেউ বা ১০ বছর আগে এসে ভারতে স্থায়ী আশ্রয় নেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ভোট দিয়ে আসছেন। তাঁদের মধ্যে ৫৩৯ জনকে BLO-র তরফে SIR সংক্রান্ত ফর্ম দেওয়া হয়েছে। ১৭০ জনকে শুনানিতে ডাকা হতেই উদ্বেগ বেড়েছে।

এ বিষয়ে BLO শতমিতা রায়চৌধুরী জানান, 'অনেকের নাম ভোটার তালিকায় থাকলেও ২০০২ সালের তালিকায় নেই। অথবা নথিপত্রে গরমিল রয়েছে, মূলত তাঁদেরই শুনানিতে ডাকা হয়েছে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। যথাযথ প্রমাণ পেশ করলেই সমস্যার সমাধান হবে'।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রমীলা দাস জানান, 'আমাদের জন্ম ওপার বাংলায়। সেখানে ঘরবাড়িতে আগুনে লাগিয়ে সব পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই বাধ্য হয়েই আমরা এ দেশে চলে আসি। এখন সরকারের কাছে অনুরোধ, এখানেই থাকতে দেওয়া হোক। এ পরিস্থিতিতে বহু মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন'।
মেদিনীপুর জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, 'এত বড় একটি প্রক্রিয়া মাত্র দু’মাসের মধ্যে শেষ করতে গিয়েই একাধিক ভুল হচ্ছে। তার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, সে বিষয়ে দল কড়া নজর রাখছে'।
অন্যদিকে জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, 'এই এলাকার বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু বাসিন্দাদের বিভ্রান্ত হওয়ার কোনও কারণ নেই। সঠিক নথিপত্র জমা দিলে কারও নাম বাদ যাবে না। তৃণমূলের নেতাদের কথায় কান না দিয়ে নিয়ম মেনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। আমরা নিশ্চয়তা দিচ্ছি, আপনাদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে'।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়