নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিকদের ত্রাণ দিতে ডুয়ার্সে উপস্থিত বিমল গুরুং। তবে আচমকাই সাক্ষাৎ করলেন জন বার্লার সঙ্গে। সংক্ষিপ্ত আলাপ হলেও এই সাক্ষাৎকারকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে নতুন করে জোট সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই সাক্ষাৎকার।
সূত্রের খবর, শনিবার বিকেলে জলপাইগুড়ির বানারহাট ব্লকের লক্ষীপাড়া চা বাগানে বন্যা ত্রাণ বিতরণ করতে আসেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। চা শ্রমিকদের হাতে ত্রাণ তুলে দিয়ে ফেরার পথে তার গাড়ি যখন জন বার্লার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা বার্লা তাকে অভ্যর্থনা জানান। গাড়ির ভেতর থেকেই দুজনের সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা হয়।
বার্লা এদিন সস্ত্রীক হাজির ছিলেন। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে এটাই তাঁর প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। তবে এত কাছাকাছি এসেও বিমল গুরুং বার্লার বাড়িতে প্রবেশ করলেন না। যদিও তিনি কারণ হিসেবে নিজের ব্যস্ত ত্রাণ কর্মসূচির কথা বলেন। তবে এই সাক্ষাৎকারকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের শুরু হয়েছে।
যদিও বিমল গুরুংয়ের বক্তব্য, ' আমি এখানে ত্রাণ সরবরাহ করতে এসেছি। এখানে গোর্খা গোষ্ঠীরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে সেখানে তাদের পাশে থাকাটা অনেক বেশি জরুরি। আসার পথে জন বার্লের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। কিন্তু যেহেতু এখন আমাদের কাছে মানুষের পাশে থাকাটা বেশি জরুরি।' সক্রিয় রাজনীতিতে তিনি থাকছেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেবেন বলেও ঘোষণা করেন তিনি। তবে তিনি নিজে প্রার্থী হবেন, নাকি কোনও দলের প্রতি সমর্থন দেবেন সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেননি।
গোটা ঘটনায় জন বার্লার জানান, ' ওনার আসার বিষয়ে আমার কাছে কোনো খবর ছিল না। তবে এখানে ত্রাণ দিতে এসেছেন তাই রাস্তায় হঠাৎই দেখা হয়ে গেল। উনি তাড়ায় ছিলেন তাই বাড়িতে আসেননি।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়