নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - চূড়ান্ত প্রকাশিত ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কয়েক লক্ষ ভোটারের নাম বিচারাধীন। আবার বৃদ্ধ থেকে শুরু করে তরুণ অনেকের নাম ডিলিটেড। জেলাগুলো থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন সহ বিজেপিকে তুলধনা করেছেন সকলে। নাম তোলা নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। এবার তেমনই চিত্র দেখা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগণায়।
সূত্রের খবর , দক্ষিণ ২৪ পরগণার ৩ জন ভোটারের নামের পাশে চূড়ান্ত প্রকাশিত তালিকায় দেখা গেছে ডিলিটেড। তারা প্রত্যেকেই দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দ্র নারায়নপুর উত্তরপাড়ার। তাদের নাম , বাবলু মন্ডল , সমরেশ তুং , দশমী পাত্র। এখন নাগরিকত্ব নিয়ে চূড়ান্ত সংশয় দেখা দিয়েছে এই তিন পরিবারে। রাজনৈতিক মহল যেভাবে উত্তপ্ত হচ্ছে সেই জায়গায় তারা কি ফের নাগরিকত্ব ফিরে পাবে , এইভেবে চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত গাফিলতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তারা।
ঘটনা প্রসঙ্গে সমরেশ তুং বলেছেন , "আমার বাবা , ঠাকুরদা সকলেই এখানে ভোট দিয়েছেন। আমার পরিবারের বাকি সকলের নাম রয়েছে কিন্তু আমার নামের পাশে ডিলিটেড স্ট্যাম্প মেরে দিয়েছে। এটার মানে বুঝতে পারছিনা আমি। কিভাবে নাম তুলব সেটাও জানিনা। আদৌ তোলা যাবে কিনা সেটাও জানিনা।"
বাবলু মণ্ডল মুরগির মাংস বিক্রি করে সংসার চালান। এখনও রোজ কাজ করছেন তবে মাথায় ঘুরছে তার ভোটার লিস্ট। কাজে মন বসছেনা। শুধু তাই নয় , ভাবছেন পাকাপাকিভাবে কি নাগরিকত্ব হারিয়ে ফেললেন? তার স্ত্রী বলেছেন , "আমার স্বামী ২০০২ সাল থেকে ভোট দিচ্ছে তাও কেন এমন হল ভাবতে পারছিনা। বেঁচে থাকতেও আজ আমার স্বামী মৃত।"
দশমী পাত্রের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একইরকম। তার শাশুড়ি জানিয়েছেন , "অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে যেতে হত বৌমাকে। ছোটাছুটি সব ও করত। আজকে পরিবারের সবার নাম রয়েছে ওর নাম নেই। আমি জানিনা এবার কি হবে। সবরকম সরকারি পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত হতে হবে হয়তো। আবার নাম উঠবে। নাকি সেটাও বলতে পারব না।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়