নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - সমুদ্র বিদ্যা একটি প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতিষ ও দর্শনভিত্তিক বিদ্যা, যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক গঠন—বিশেষ করে হাতের রেখা, আঙুল, নখ, পায়ের গঠন ও মুখমণ্ডলের চিহ্ন—পর্যবেক্ষণ করে তার চরিত্র, মানসিক প্রবণতা ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। সংস্কৃত শব্দ ‘সমুদ্র’ অর্থাৎ ‘সমগ্র’—এই বিদ্যা মানুষের জীবনকে সামগ্রিকভাবে বোঝার চেষ্টা করে বলেই এর এমন নামকরণ।
সমুদ্র বিদ্যার উল্লেখ পাওয়া যায় প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র, পুরাণ এবং ঋষি সমুদ্রের নামে প্রচলিত "সমুদ্র শাস্ত্র"-এ। বিশ্বাস করা হয়, এই বিদ্যা হাজার হাজার বছর আগে ঋষি-মুনিরা মানুষের আচরণ ও দেহগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে জীবনের ঘটনাপ্রবাহের সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করে গড়ে তুলেছিলেন। এটি জ্যোতিষশাস্ত্রের সহায়ক শাখা হিসেবেও পরিচিত।

এই বিদ্যার সবচেয়ে পরিচিত অংশ হলো হস্তরেখা বিচার। হাতের তিনটি প্রধান রেখা—জীবনরেখা, মস্তিষ্করেখা ও হৃদরেখা—ছাড়াও ছোট ছোট উপরেখা, আঙুলের গঠন, তালুর আকৃতি ও নখের রং বিশ্লেষণ করা হয়। শুধু হাত নয়, পায়ের পাতা, কপাল, চোখ, নাক, ঠোঁটের গঠনও সমুদ্র বিদ্যার আওতাভুক্ত। প্রতিটি চিহ্ন মানুষের স্বভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, আবেগপ্রবণতা ও কর্মজীবনের ইঙ্গিত বহন করে বলে ধরা হয়।
সমুদ্র বিদ্যা জানলে একজন ব্যক্তি নিজের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন। জীবনের কোন ক্ষেত্রে তিনি সফল হতে পারেন, কোথায় সতর্ক থাকা দরকার—এমন ধারণা এই বিদ্যা দিতে পারে। অনেকের মতে, এটি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে মানসিক প্রস্তুতি দেয়। তবে এটি ভবিষ্যৎ নির্ধারণের চূড়ান্ত বিধান নয়, বরং সম্ভাবনার ইঙ্গিতমাত্র।
আধুনিক বিজ্ঞান সমুদ্র বিদ্যাকে পরীক্ষালব্ধ বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তবুও সমাজে এর জনপ্রিয়তা কমেনি। কারণ মানুষ ভবিষ্যৎ জানতে আগ্রহী, নিজের জীবনকে বুঝতে চায়। সমুদ্র বিদ্যা সেই কৌতূহল মেটানোর এক প্রাচীন মাধ্যম ।
সমুদ্র বিদ্যা বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত এক প্রাচীন জ্ঞানভাণ্ডার। একে অন্ধ বিশ্বাস হিসেবে না দেখে, আত্মপর্যালোচনার সহায়ক হিসেবে গ্রহণ করলেই এর প্রকৃত মূল্য বোঝা যায়।
একসময় উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ত্যারেয়া ফেলার মাধ্যমে শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল
এই বিশ্বাসের পেছনে জ্যোতিষশাস্ত্র ও আগমশাস্ত্রের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যা বহু মানুষ আজও মানেন
হিন্দু পুরাণে যক্ষদের অধিপতি হিসেবে পরিচিত কুবের যিনি ধনসম্পদের দেবতা এবং উত্তর দিকের দিকপাল
কাশে বাতাসে প্রতিধ্বনি হল সেই চিরন্তন সত্য নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান , বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান
উদ্যোগটি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় মহলে
ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেনাকাটার আয়োজন
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর