নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দ্রকোনা – পুরুলিয়া থেকে ফেরার পথে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ের ওপর হামলার অভিযোগ। যাকে কেন্দ্র করে শনিবার গভীর রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চন্দ্রকোনা রোড এলাকা। এবার এই নিয়ে চন্দ্রকোনা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তাঁকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করা হয়েছে।
এদিন শুভেন্দুর দাবি, “আমার গাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আমাকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশে যে কায়দায় হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার হচ্ছে, পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, সেখান থেকে শিখেছে। যাতে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির সবাইকে শেষ করে দিতে পারে। আমাকে মারতে না পেরে আমাদের দলের কর্মীদের মেরেছে।“
উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ১৫ মিনিট কথা হয় শুভেন্দু অধিকারীর। এরপরই হামলার সময়ের ভিডিও ফুটেজ চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কনভয়ে হামলাকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর অভিযোগ, “যেদিন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন, সেদিন থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলা হচ্ছে।“
বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে লাঠি নিয়ে হামলা চালায়, যার ফলে একাধিক বিজেপি কর্মী আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে নিজের কনভয় ঘুরিয়ে সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ বিট হাউসে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়