নিজস্ব প্রতিনিধি , রিয়াধ - রোনাল্ডোকে নিয়ে আলোচনা হলেই বয়স যেন কোনও গুরুত্বই পায় না। ৪০ বছর বয়সে যেখানে ফুটবলারদের শরীর ধীরে ধীরে ক্লান্তি টের পেতে শুরু করে, সেখানে তিনি এখনও যেন নিজের দৌড়ের গতি আর স্ট্যামিনা , ক্ষিপ্রতা দিয়ে তরুণদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। এই ব্যতিক্রমী ফিটনেসের পেছনে শুধু জেনেটিকস নয়—আছে তাঁর জীবনকে কঠোরভাবে সাজিয়ে তোলার অভ্যাস, বিজ্ঞানের ওপর আস্থা, আর নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও ভালো করার এক অদম্য ইচ্ছাশক্তি।

রোনাল্ডোর দিন শুরু হয় বিশ্রামের হিসেব ঠিক রেখে। টানা ঘুমের বদলে তিনি শরীরকে ছোট ছোট বিরতি দেন—পাঁচটি ন্যাপ, মোট ছয় ঘণ্টা। শরীরের স্বাভাবিক রিদম যেন কখনো ভেঙে না যায়, সেই লক্ষ্যেই তাঁর এই অভ্যাস। তাতে অন্যদের চোখে অদ্ভুত লাগলেও, রোনাল্ডোর শরীরে এর প্রভাব নিঃসন্দেহে স্পষ্ট।
ট্রেনিং শেষ হওয়ার পর তাঁর শুরু হয় রিকভারি । ক্রায়োথেরাপি চেম্বারে দাঁড়িয়ে কয়েক মিনিটের বরফশীতল অভিজ্ঞতা তিনি নিয়মিত নেন। এতে পেশির চাপ কমে, ব্যথা নেমে যায় এবং দেহ দ্রুত ম্যাচের উপযোগী হয়ে ওঠে। সঙ্গে আছে আইস বাথ, রেড লাইট থেরাপি—শরীরের প্রতিটি অংশ যেন পরের দিনের জন্য প্রস্তুত থাকে।

তাঁর অনুশীলনের ধরনও একঘেয়ে নয়। উচ্চমাত্রার ইন্টারভাল ট্রেনিং মাঠে তাঁর দ্রুততা ধরে রাখতে সাহায্য করে। পায়ের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ড্রিল ও যোগাভ্যাস দিয়ে লেগ মাসলের নমনীয়তা ঠিক রাখা—এসবই রোনাল্ডোর দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ন অঙ্গ ।
খাওয়াদাওয়া নিয়ে তাঁর শৃঙ্খলা বেশিরভাগ ক্রীড়াবিদের কাছেই কঠিন মনে হতে পারে। একদিনে ছয়বার ছোট খাবার, যেখানে প্রোটিনই মূল ভরসা। শরীরের ভেতরের পরিবর্তন নিয়মিত নজরে রাখতে তিনি রক্ত পরীক্ষা করেন, যেন কোনো ছোট সমস্যা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে।
হাইড্রেশনের ব্যাপারেও তিনি কঠোর। কার্বনেটেড কিংবা চিনিযুক্ত পানীয় তাঁর তালিকায় নেই। জলই তাঁর প্রধান সঙ্গী। ট্রেনিংয়ের আগে-পরে বিশেষ ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণ নিয়ে শরীরের শক্তির ভারসাম্য ঠিক রাখেন তিনি।

রোনাল্ডোর ফিটনেস যাত্রার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো তাঁর কোষীয় শক্তি উৎপাদন নিয়ে সচেতনতা। মাইটোকন্ড্রিয়া ঠিকমতো কাজ করলে শরীর ক্লান্ত হয় কম, শক্তি ধরে রাখে বেশি—এ বিশ্বাসে তিনি নিজের ট্রেনিং ও পুষ্টিকে সাজান। এই লক্ষ্যেই হয়তো তাঁর শরীর এখনও ৭ শতাংশের কাছাকাছি চর্বি ধরে রাখতে সক্ষম।

রোনাল্ডোর ফিটনেস-রুটিন দেখে মনে হয়, তাঁর সাফল্যের পথ এত দীর্ঘ নয়—বরং যত্নে সাজানো, বিজ্ঞানভিত্তিক এবং ব্যক্তিগত শৃঙ্খলায় বাঁধা। বয়স তাঁকে ধীর করেনি, বরং আরও নিখুঁত হতে শিখিয়েছে। তাই হয়তো আজও তিনি মাঠে নামলে বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীরা আগের মতোই প্রত্যাশায় বুক বাঁধে—এই মানুষটি আবারও প্রমাণ করবেন, বয়স কেবলই একটি সংখ্যা।
বিশ্বকাপের আগে সুন্দরের সুস্থ হয়ে ওঠা নিয়ে সংশয়
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
নিজেকে প্রমাণ করে টি টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছেন রিঙ্কু সিং
ভারত - ২৮৪/৭(৫০)
নিউজিল্যান্ড - ২৮৬/৩(৪৭.৩)
আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ
বাঁকুড়ার মুখ উজ্জ্বল করল রাজন্যা
বিপজ্জনক স্তরে দিল্লির বাতাসের মান
সিংহাসনচ্যুত হয়েছেন রোহিত
গ্রুপের প্রথম ভাগে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলা
৩০০ বেশি ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন
নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা পাক বংশোদ্ভূত ব্যাটারের
১২ দল নিয়ে শুরু হবে সন্তোষ ট্রফির মূল পর্ব
রাজস্থানের হোম গ্রাউন্ডও বদল হতে চলেছে
নিউজিল্যান্ড সিরিজেই এই রেকর্ড ভাঙতে পারেন আইয়ার
ভারতীয় দলের সংস্কৃতি নিয়ে চর্চা তুঙ্গে
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো