নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় তুলেছিল তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগান। পাঁচ বছর পর, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে ফের সেই স্লোগান ঘিরে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই এখন ‘খেলা হবে’ নিয়ে শুরু হয়েছে প্রকাশ্য বার্তা যুদ্ধ।
২০২১ সালের নির্বাচনে ‘খেলা হবে’ স্লোগানকে হাতিয়ার করে মাঠে নেমেছিল শাসক দল। এই স্লোগানের পাল্টা জবাব দিয়েছিল গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির তরফেও নির্বাচনী ময়দানে নামার বার্তা দিয়েছেন দলের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এর মধ্যেই চমক দিয়ে ‘খেলা হবে’ স্লোগান শোনা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে শুক্রবার সরস্বতী পুজোর এক অনুষ্ঠানে শুভেন্দু বলেন, 'খেলা হবে। একুশের মতো খেলা হবে। একুশে খেলা হয়েছিল নন্দীগ্রামে, আবার হবে।'
শুধু তাই নয়, শাসক দলকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, 'খেলা তোমরা দেখতে থাকবে। দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মতো ফুলবি।' একুশের নির্বাচনের পর ফের একবার নন্দীগ্রাম হয়ে উঠেছে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফলাফলের স্মৃতি টেনেই এদিন নন্দীগ্রাম থেকেই ফের রাজনৈতিক বার্তা দেন বিরোধী দলনেতা।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়