নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর দিনাজপুর - সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদার সংস্থার বিরুদ্ধে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চাকুলিয়া বিধানসভায়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যার পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে বালু গুঁড়া থেকে গোয়ালপোখর সংযোগকারী একমাত্র পুরনো সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। পরবর্তী সময়ে অস্থায়ী ব্যবস্থায় যাতায়াত চললেও স্থায়ী পরিকাঠামোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন বাসিন্দারা। সম্প্রতি সেখানে নতুন ব্রিজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু কাজ শুরু হতেই গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে এলাকায়।

বাসিন্দাদের দাবি, নির্ধারিত নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। নির্মাণস্থলে প্রকল্প সংক্রান্ত কোনও তথ্যফলক টাঙানো হয়নি। বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বা নকশা অনুযায়ী অগ্রগতি- কোনও কিছুই প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ। শুরু থেকেই ড্রয়িং ও নির্ধারিত সময়সূচি দেখতে চাওয়া হলেও তা দেখানো হয়নি বলে জানান তাঁরা।
এর জেরেই শুক্রবার কার্যক্রম স্থগিত করে প্রতিবাদে সামিল হন গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এলাকার বিধায়কের ভূমিকাতেও প্রশ্ন তুলেছেন একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ঠিকাদারি মানসিকতা নিয়ে আচরণ করেন তিনি। এছাড়াও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন অনেকে।

এ প্রসঙ্গে ঠিকাদার সংস্থার কর্মী মহম্মদ জাফরান জানান, 'প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা অনুমোদিত হয়েছে। নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই সব প্রক্রিয়া চলছে। দু’দিনের মধ্যে তথ্যফলক লাগানো হবে। ইঞ্জিনিয়ার এসে বিষয়টি সকলকে বুঝিয়ে দেবেন। নকশা আমার কাছে রয়েছে, তবে কেউ দেখতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তাই আমার আর কিছুই করার নেই'।
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ নিজামুদ্দিন বলেন, 'শুরু থেকেই পরিকল্পনার কপি চাইছিলাম, কিন্তু গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এত বছর পর স্থায়ী কাঠামো তৈরি হলেও মান সন্তোষজনক নয়। ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রেও মানুষ বেশি যত্ন নেয়। এটি জনগণের ট্যাক্সের টাকায় হচ্ছে, কোনও রাজনৈতিক দলের টাকায় নয়। তাই একটাই অনুরোধ - নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করা হোক'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়