নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - বন্যা বিধ্বস্ত এলাকায় এসে মানুষের কথা না শোনার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন দুর্গতরা। বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি ব্লকের কুর্শামারিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সফর শেষে বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ত্রাণ শিবির চত্বর। বন্যার পর বিপর্যস্ত জনজীবনে সাহায্যের হাত বাড়ানোর প্রত্যাশায় ছিলেন দুর্গতরা।
সূত্রের খবর, বন্যার তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত জলপাইগুড়ির একাধিক গ্রাম। সেই পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার কুর্শামারির ত্রাণ শিবিরে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সংক্ষিপ্ত সফরে তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং শিবিরের পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। কিন্তু সফর শেষ হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারী ত্রাণ শিবিরে এসে বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেননি, তাদের সমস্যার কথা শোনার সুযোগ দেননি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, 'আমরা ত্রাণ নিতে আসিনি, আমাদের দুর্দশার কথা জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কেউ আমাদের কথা শুনল না। বিরোধী দলনেতা আশপাশের বন্যাপীড়িত এলাকা কিংবা ভাঙা নদীবাঁধ পরিদর্শন না করেই ফিরে যান।' এই ঘটনায় হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দুর্গতদের মধ্যে। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়