নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - বন্ধুর পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়ো সোশ্যাল প্রোফাইল খোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আর তার জেরেই প্রাণ হারাল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে মানিকচক এলাকায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাহেবনগরের বাসিন্দা শেখ সোহেল এবং শেখ আমরাজ দুই বন্ধু। দু’জনেই সাহেবনগর হাই স্কুলের পড়ুয়া। চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয় তারা। অভিযোগ, আমরাজ তার সহপাঠী সোহেলের ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মাধ্যমে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে। সেই প্রোফাইল থেকে ১ মাসের বেশি সময় ধরে অশালীন ছবি আপলোড করতে থাকে। পাশাপাশি গ্রামের একাধিক তরুণীর কাছে কুপ্রস্তাব পাঠানোর কথাও সামনে এসেছে। সোহেলের ছবি থাকায় দোষারোপের চাপ পড়ে তার উপরেই।

পরিবারের দাবি, পরে বিষয়টি জানতে পেরে ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আমরাজের সঙ্গে কথা বলতে যায় সোহেল। তখন দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আমরাজের বাবা শেখ ফিজুর হঠাৎ বাঁশ দিয়ে সোহেলের মাথায় আঘাত করেন। ফলে অচৈতন্য হয়ে পড়ে সে। ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সোহেলের মাকেও হেনস্তার শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ।
এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও উন্নতি না হওয়ায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা নাগাদ সেখানেই মৃত্যু হয় তার। খবর গ্রামে পৌঁছাতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে অন্য সহপাঠী সিমরান জানায়, 'শুরুর দিকে সোহেল বুঝতে পারেনি কে এই কাজ করছিল। পরে সন্দেহ হওয়ায় ওই অ্যাকাউন্টে ফোন করলে আমরাজ কথা বলে। তখনই সব পরিষ্কার হয়। সেদিন কথা বলতে গেলে হঠাৎ আমরাজের বাবা মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও মারধর চলতে থাকে। আমরা থামানোর চেষ্টা করলেও শোনেননি। দোষীদের শাস্তি চাই'।
প্রতিবেশী রূপালী বিবি বলেন, 'পরীক্ষা শেষের পর সোহেল মাসির বাড়িতে ছিল। ফিরে এসে বিষয়টি জানতে পারে। শুধুমাত্র নিজের নামে খোলা প্রোফাইল বন্ধ করতে বলেছিল। তাতেই এমন পরিণতি। শেষে অনেক কষ্টে আশপাশের মানুষজন তাকে উদ্ধার করেন। মৃত্যুর বদলা মৃত্যু। দোষীদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়