নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর দাদাকে মারধর করে খুনের অভিযোগ উঠল দুই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইন্দাস এলাকায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে শাসক শিবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাটনগর গ্রামের বাসিন্দা সুজয় রঙ বিজেপি কর্মী প্রসাদ রঙের দাদা। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ডিম কিনতে বাড়ি থেকে বেরোন তিনি। অভিযোগ, কলোনি শিবতলা এলাকায় তৃণমূল কর্মী নয়ন রায়, পিন্টু রায় তাঁর পথ আটকায়। বিনা প্ররোচনায় এলোপাথাড়ি কিল-চড়-ঘুষি মেরে তাঁকে রাস্তায় ফেলে ফের মারধর করা হয়।

চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। আহতকে ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে গভীর রাতে মৃতের পরিবারকে নিয়ে থানায় অভিযোগ লেখান বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পিন্টু রায়কে গ্রেফতার করা হলেও, পলাতক অন্যজন।
নিহতের ভাই প্রসাদ রঙ জানান, 'বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তৃণমূলের জীবন মণ্ডল প্রায়শই গ্রামের অনেক মানুষকে ভয় দেখিয়ে থাকেন। তাঁর কথাতেই আমাকে না পেয়ে দাদার ওপর এভাবে হামলা চালানো হয়েছে। গরিব মানুষের ওপর এমন অত্যাচার মানবো না। দোষীদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি'।
নির্মল কুমার ধাড়া জানান, 'রাজনৈতিক শত্রুতার কারণেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে যথোপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। তা না হলে আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবো'।
অন্যদিকে তৃণমূলের নেতা শেখ হামিদ বলেন, 'ঘটনাটি দুঃখজনক। কিন্তু এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। দুজন মদ্যপ অবস্থায় ঝামেলায় জড়িয়েছিল। সেখানে থেকেই এই পরিণতি। পিন্টু দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে জড়িত নেই। বিধায়ক এসে বিষয়টি রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এইভাবে ভোটে জেতা যায় না'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়