নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - 'বিধায়ককে খুঁজে দিন' - নির্বাচনের আগে এমন পোস্টার ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কৃষ্ণগঞ্জে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। শাসকদল বিষয়টিকে হাতিয়ার করলেও, বিরোধী শিবিরের অভিযোগ - এর নেপথ্যে তৃণমূলের চক্রান্ত। ভোটের মুখে এই বিতর্ক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে জয়ী হয়ে তিনি এই পদে আসীন হন। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসীর নজরে আসে বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর ছবি সহ ছড়ানো পোস্টার। সেখানে লেখা - 'ED, CBI, পুলিশ - বিধায়ককে খুঁজে দিন। সৌজন্যে, কৃষ্ণগঞ্জ সচেতন নাগরিক সমাজ'।

বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাংশ বাসিন্দা, নিন্দা জানান অনেকেই। এ বিষয়ে শাসকদলের বক্তব্য, পোস্টারে উত্থাপিত দাবি সঙ্গত। তাঁদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ কাজেও বিধায়কের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় না, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগও নেই। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে তৃণমূল অপপ্রচার চালাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শম্ভুনাথ সরকার বলেন, 'বিধায়ক খুব ভালো মানুষ। তিনি সবসময় সাধারণ জনগণের মধ্যেই থাকেন। যাঁরা এই ধরনের পোস্টার মেরেছে, তাঁরা ভালো করেনি। এটা নিশ্চয়ই বিরোধীপক্ষের কাজ'।

বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস জানান, 'কেউ বলতে পারবে না, আমি কখনও কারও কাছ থেকে এক পয়সাও নিয়েছি। তহবিলে ১ কোটি টাকারও বেশি কাজের অনুমোদন হয়ে রয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। এই এলাকায় বিজেপির ঘাঁটি শক্ত, তাই তৃণমূল ভয় পেয়ে এসব করছে'।
অন্যদিকে, ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি শুভদীপ সরকার বলেন, 'এই বিধানসভায় ৩০টি বুথ, ১৩ দিন মানুষ বিধায়ককে দেখেনি। দলীয় কর্মসূচিতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ে না। বিজেপির কর্মীরাই তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট। শাসকদলের সময় নেই নিজেদের কাজ ছেড়ে কাউকে নিয়ে ভাবার। স্বাধীনতার পর থেকে এমন জনপ্রতিনিধি দ্বিতীয় আর কেউ নেই'।
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়