নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - নতুন বছরের প্রথম দিনেই ভক্তি ,বিশ্বাসের আবহে শুরু হল ২০২৬। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষ্যে কল্পতর উৎসবকে ঘিরে সকাল থেকেই পুণ্যার্থীদের দক্ষিণেশ্বর ভবতারীনি মায়ের মন্দিরে। ভোর হতেই বহু মানুষ পুজো ও মনস্কামনা পূরণের আশায় মন্দিরমুখী হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি সকাল থেকে দূরদূরান্তের বিভিন্ন জেলা ও ভিনরাজ্য থেকেও পুণ্যার্থীরা আসতে শুরু করেন। ভক্তদের সুবিধার জন্য মন্দির চত্বরে একাধিক প্রবেশ, প্রস্থান পথ নির্দিষ্ট করা হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে পুজো দেন ভক্তরা।এই উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল আঁটোসাঁটো। মন্দির ও আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি চালানো হয় সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে।

পুলিশ প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, "নতুন বছরের ভিড় সামলাতে আগে থেকেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।প্রত্যেক পয়েন্টে পুলিশ ফোর্স রয়েছে, তার সাথে ফায়ার ফাইটিং অ্যাম্বুল্যান্স সমস্ত দিকে আমরা নজর দিয়েছি।গঙ্গার ঘাট এলাকাতেও অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।নৌ-পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে, যাতে কোনওরকম অঘটন এড়ানো যায়।”
একসময় উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ত্যারেয়া ফেলার মাধ্যমে শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল
এই বিশ্বাসের পেছনে জ্যোতিষশাস্ত্র ও আগমশাস্ত্রের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যা বহু মানুষ আজও মানেন
হিন্দু পুরাণে যক্ষদের অধিপতি হিসেবে পরিচিত কুবের যিনি ধনসম্পদের দেবতা এবং উত্তর দিকের দিকপাল
কাশে বাতাসে প্রতিধ্বনি হল সেই চিরন্তন সত্য নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান , বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান
উদ্যোগটি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় মহলে
ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেনাকাটার আয়োজন
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর