নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - রাজনৈতিক আক্রোশের জেরে তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্যা-সহ তাঁর শাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ উঠল CPIM-এর দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রতুয়া ২ নম্বর ব্লকের পুখুরিয়া এলাকায়। বিষয়টি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত দলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা নূরসেবা খাতুন পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। বর্তমানে গৃহবধূ হলেও ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর শাশুড়ি সাহেদা বেওয়া নিজেদের জমিতে গিয়ে দেখতে পান, কয়েকজন অনুমতি ছাড়াই বাঁশ কাটছেন। প্রতিবাদ জানাতেই তাঁকে কটূক্তি করা হয় বলে অভিযোগ। বচসা বাড়তে বাড়তেই বৃদ্ধাকে মারধর করা হয় বলে দাবি পরিবারের। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

গ্রামবাসীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান নূরসেবা খাতুন। সেখানে গিয়েও তিনি হামলার শিকার হন বলে দাবি। পরে আহত শাশুড়িকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের ওপর আক্রোশ ছিল স্থানীয় CPIM কর্মীদের। সেই প্রেক্ষিতেই পরিকল্পিতভাবে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নূরসেবার স্বামী সমিদুর রহমান জানান, 'ঘটনার সময় আমি রায়গঞ্জে ছিলাম। খবর পেয়ে ছুটে আসি। ওই জমি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। পঞ্চায়েতের সময়কাল থেকেই আমাদের বিরুদ্ধে আক্রোশ তৈরি হয়েছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে এই অশান্তি বাধানো হয়েছে। আগে কখনও এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি। আইনের দ্বারস্থ হয়েছি। বয়স্ক মাকে মারধরের জন্য দোষীদের শাস্তি চাই'।
নূরসেবা খাতুন বলেন, 'আমার শাশুড়ি নিজের জমিতে গেলে তাঁকেই প্রশ্ন করা হয়, তোর জমি নাকি? তিনি জানিয়েছিলেন, এটি তাঁরই সম্পত্তি। বাড়িতে স্বামী ছাড়া পাশে দাঁড়ানোর মতো আর কেউ নেই। স্বামীকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়