নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ফের বন্ধুর হাতে বন্ধু খুনের ঘটনা। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বন্ধুকে মৃত্যুর অভিযোগ উঠল শান্তিপুরে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে এক ব্যক্তিকে। ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শান্তিপুরে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর , ঘটনাটি নদিয়া জেলার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া জ্যোতিপল্লী এলাকার। মৃত যুবকের নাম কৃষ্ণ দাস। বয়স আনুমানিক ৩৬ বছর। অভিযুক্তের নাম বিজন বিশ্বাস।বাড়ি শান্তিপুর থানার ফুলিয়া মহিশপুকুর এলাকায়। কৃষ্ণ - বিজন একসঙ্গে বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে বাজনা বাজানোর কাজ করতেন।
কৃষ্ণের পরিবারের দাবি, শনিবার বন্ধু বিজন বিশ্বাস কৃষ্ণকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর কৃষ্ণ দাসের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দেখতে পেয়ে প্রথমে তাকে ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নদীয়ার রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেও চিকিৎসা না পেয়ে কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর রবিবার রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় কৃষ্ণ দাসের।
কৃষ্ণর পরিবারে রয়েছেন তাঁর বাবা-মা, এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান। চলতি বছর তাঁর বড় মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। নৃশংস ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার সহ গোটা এলাকায়। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে তারা। বাচ্চাদের ভবিষ্যত এখন প্রশ্নের মুখে। সোমবার মৃতদেহ পাঠায় ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি অন্য কারণ, সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় কৃষ্ণ দাস জানিয়েছিলেন , "মদ খেয়েছিলাম দু'জনেই। হঠাৎ আমাকে ছুরি মেরে পালিয়ে গেল। কেন এমন করল আমি বলতে পারব না। আমরা একসঙ্গেই কাজ করতাম। আমার সঙ্গে তেমন কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতাও ছিল না।"

ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ফেটে পড়েছেন মা। কাঁদতে কাঁদতে তিনি জানিয়েছেন , "আমার ছেলের পেটে ছুরি মেরেছে , কাঁধে কোপ মেরেছে , মুখে মেরে দাঁত ফাটিয়ে দিয়েছে। দুজনেই একসঙ্গে বাজনা বাজাত। আমাদের বাড়িতে আসত , গল্প করত। আমি চা করে দিতাম। আমায় কাকিমা বলে ডাকত। এইভাবে আমার ছেলেকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে যাবে ভাবতে পারিনি। আমি ওর কঠিন শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। মায়ের কোল থেকে ছেলেকে কেড়ে নিলে কি হতে পারে সেটা ওর বোঝা উচিত।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়