নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে স্বজনহারা হয়েছে একাধিক পরিবার। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক মৃতদেহ। আর এই দুর্ঘটনায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ একই গ্রামের তিন তরতাজা যুবক। আর যার জেরে পিংলার মালিগেড়িয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোক, উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তার গভীর ছায়া।
আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে পিংলা ব্লকের মালিগেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু ধাড়া, অনুপ প্রধান ও বিশ্বজিৎ সাউ এই তিন তরুণ এখনও নিখোঁজ। আনন্দপুরের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই তাদের কোনও খোঁজ মেলেনি। আগুনে সবকিছু ভস্মীভূত হয়ে যাওয়ায় দেহ শনাক্ত করাও কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নিখোঁজ তিন যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করতে বারুইপুর হাসপাতালে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ডাকা হয় তাদের বাবাদের।
নমুনা দিয়ে বাড়ি ফিরেই কার্যত কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। পরিবারগুলির অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে কোনো পরিবারগুলির অভিযোগ, ঘটনার এতদিন পরেও স্থানীয় কোনও রাজনৈতিক নেতা কিংবা সামাজিক সংগঠনের তরফে তাদের পাশে দাঁড়ায়নি বা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। শুধু থানা থেকেই খোঁজ নেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, যারা চলে গেল তাদের পরিবার কিভাবে চলবে? সরকার যদি পরিবারকে কোন রকম ভাবে সাহায্য করে তাহলে তাদের পরিবারটা ঠিক ভাবে চলতে পারে। একদিকে প্রিয়জনের খোঁজ না পাওয়ার যন্ত্রণা, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ জীবনের অনিশ্চয়তা। দুয়ের মাঝে এখন ডিএনএ রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে পরিবারের সদস্যরা।
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর