নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরে যে আগুন লেগেছিল, তা শুধু দুটি কারখানাকে সম্পূর্ণ রুপে ভস্মীভূত করে দিয়েছিল। চার দিন পেরিয়েও স্তূপ হয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষের নিচে এখনও খোঁজ চলছে নিখোঁজ মানুষদের। এর মধ্যেই সামনে এল অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট, যা পুরো ঘটনার দায়ভার ঘুরিয়ে দিল অন্যদিকে।
আনন্দপুরের মোমো কারখানা ও সংলগ্ন ডেকরেটার্সের গোডাউনে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২৭ জন। চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে পোড়া লোহা, ভাঙা দেওয়াল আর ছিন্নভিন্ন জীবনের চিহ্ন। তার মাঝেই দেহাংশ উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে শুরু থেকেই চলছিল জল্পনা।
ঘটনার পর গ্রেফতার হওয়া ডেকরেটার্সের মালিক গঙ্গাধর দাস দাবি করেছিলেন, আগুনের সূত্রপাত নাকি পাশের মোমো কারখানা থেকেই। তবে দমকল ও ফরেনসিকের যৌথ প্রাথমিক রিপোর্ট সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আগুনের প্রথম সূত্রপাত ঘটে ডেকরেটার্সের গোডাউনের তিনতলায়। সেখান থেকেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা গোডাউন ও সংলগ্ন মোমো কারখানায়।
রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ৩৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে ছিল ওই দুটি স্থাপনা। যার মধ্যে মাত্র ৮ হাজার বর্গফুট জুড়ে ছিল মোমো কারখানা, বাকি বিশাল অংশজুড়ে ডেকরেটার্সের কাজ চলত বলেই দাবি তদন্তকারীদের। রবিবার ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ এলাকার মানুষ প্রথম আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন প্রায় দুদিনের টানা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপরই স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করে দমকল বিভাগ। ঘটনাস্থলে গিয়ে ফরেনসিক দল একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে এবং চার দিনের মাথায় সেই প্রাথমিক রিপোর্ট পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়।
আগামী ৮ মার্চ রায়দিঘিতে সভা করতে চলেছে অভিষেক
আগামী ৯ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছতে পারে কমিশনের ফুল বেঞ্চ
ভবানীপুর থেকে ৬০ হাজার নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ মমতার
স্বচ্ছ ভোটার তালিকার দাবি কংগ্রেস নেতার
দোলের পর ৮৪টি তফসিলি অধ্যুষিত বিধানসভায় বিশেষ প্রচার গাড়ি যাবে
প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও নাম বাদের অভিযোগ
১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে তলব ইডির
রোদ ঝলমলে আকাশ থাকবে
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
৬ মার্চ ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সোমবার ও মঙ্গলবার পরপর দুদিন বৈঠকে বসতে চলেছে কমিশন
সংঘর্ষে আহত হয়েছে দুইপক্ষের একাধিক কর্মীরা
যদিও আপাতত নিরাপদেই আছেন মেয়র কন্যা
দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েও নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় রিচার
দোলের দিন সকালে থাকছে না মেট্রো
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর