নিজস্ব প্রতিনিধি , আবু ধাবি - আইপিএল নিলামে কোমর বেঁধে নেমেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। রেকর্ড ২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় ক্যামেরন গ্রিনকে কেনার পর শ্রীলঙ্কান তরুণ পেসার মাথিশা পাথিরানাকে দলে নিল কেকেআর। ১৮ কোটি টাকা দিয়ে অন্যতম ফেভারিট ডেথ ওভার স্পেশালিস্টকে তুলে রীতিমত ছক্কা হাঁকালেন অভিষেক নায়ারেরা।
দিল্লি ক্যাপিটালস ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের মধ্যে প্রথম লড়াই শুরু হয় পাথিরানাকে নিয়ে। তবে ১৬ কোটি টাকা দাম ওঠার পরই সরে দাঁড়ায় দিল্লি। এরপর সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে লড়াই শুরু হয় কলকাতার। তবে শেষ হাসি হাসে নাইটরা।
গত মরশুমে তেমন ছন্দে ছিলেন না শ্রীলঙ্কান তরুণ পেসার। ডেথ ওভারে এসে বেশ রান খরচ করছিলেন। ইয়র্কার মারতে গিয়ে স্লটে বোলিং করায় খুব সহজেই ব্যাটাররা তার বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাচ্ছিলেন। তবে তার গত মরশুমে নিজের জাত চিনিয়েছেন। ২০২৩ সালে আইপিএল জয়ী চেন্নাই সুপার কিংসের অংশ ছিলেন। তিনি ঠিক কতটা দক্ষ তার প্রমাণ পেয়েছে গোটা ক্রিকেটমহল। তাই গ্রিনের পর পাথিরানাকে পাওয়ায় অনেকটাই শক্তিশালী হল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেক্ষেত্রে মিডল অর্ডার সহ ডেথ বোলিংয়ের দিক থেকে চিন্তামুক্ত হলেন নায়াররা।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়