নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - কৃষ্ণনগরে বিজেপির জেলা মুখ্য কার্যালয় উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে বুধবার তুঙ্গে উঠলো উত্তেজনা। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কার্যালয় ছাড়তে নারাজ বিজেপি কর্মীরা। উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
কৃষ্ণনগরে বিজেপির কার্যালয়টি যেখানে অবস্থিত সেই জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরেই আইনি লড়াই চলছিল। জমির উত্তরসূরিরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে উচ্ছেদের আবেদন জানিয়েছিলেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত সম্প্রতি জমিটি খালি করার নির্দেশ দেয় এবং পুলিশি সহায়তায় উচ্ছেদের অনুমতি দেয়। বুধবার আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে জমির মালিক পক্ষের প্রতিনিধিরা পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে নামেন। কিন্তু অভিযান শুরু হতেই বাধা হয়ে দাঁড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।
এরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি কর্মীরা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের দাবি, ' যিনি আমাদের উচ্ছেদ করতে এসেছে তার দাদু আমাদের অনুমতি দিয়েছিল এখানে দলীয় কার্যালয় করার। কিন্তু এখন এনারা এসে আমাদের উচ্ছেদ করতে চাইছে। আজকে আসার আগে আমাদের আগাম জানানো হয়নি। আমরাও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি কিন্তু আমাদের বিচারক SIR এর কাজের জন্য ব্যস্ত থাকায় এই কেসটা আটকে আছে।'
বিজেপি কর্মীদের আরও দাবি, ' জেলা জজ সঙ্গে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে। কিন্তু হাইকোর্টের মামলার এখনও শুনানি হয়নি। আদালত বলেছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে কাজটি করতে কিন্তু এখানে কোনো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নেই। তাই যতক্ষণ না আদালতের রায় আসছে ততক্ষণ আমাদের সময় দেওয়া হয়। আদালত যদি আমাদের উঠে যেতে বলে উঠে যাবো।'
অপরদিকে, জমি মালিকের দাবি, ' ১৫ বছর ধরে আমরা এখানে আছি। কিন্তু আমাদের বাড়িটা জোর করে বিজেপি দখল করে রেখেছে। একাধিকবার ওদের সময় দেওয়া হয়েছে কিন্তু তাতেও এরা সরেনি। আমরা তো ওনাদের মতন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে পারবো না। আমরা যে ভাড়া দিয়েছি আর প্রমাণ দেখাক কাগজ দেখাক কিন্তু সেগুলো কোনো প্রমাণ নেই। জোর করে জবরদখল করে বসে আছে। এখন প্রশাসন যা ব্যবস্থা নেবে সেটাই হবে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়