নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র ঘাটতির জেরে এবার চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হল গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পাড়ি দেওয়া নিয়ে। রান্নার জ্বালানির সরবরাহে টান পড়ায় বহু ট্রলারই উপকূলে নোঙর করে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। ফলে ভরা মরসুমে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সুন্দরবনের রায়দিঘির কয়েক হাজার জেলে ও ট্রলার মালিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে গভীর জলরাশিতে মৎস্যশিকারের ব্যস্ত সময় চলছে। সাধারণত প্রতিটি নৌযানে ১৫ জনের বেশি জেলে থাকেন এবং তাঁদের টানা ১০ থেকে ১৫ দিন সাগরের মাঝখানে থাকতে হয়। সুরক্ষা ও সুবিধার খাতিরে ট্রলারগুলিতে জ্বালানি হিসেবে কাঠের বদলে এলপিজিই ব্যবহার করা হয় খাবার তৈরির জন্য। কিন্তু ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে পর্যাপ্ত সিলিন্ডার না মেলায় অনেক নৌযানই পাড়ি দিতে পারছে না। ফলে মাছ ধরার সরঞ্জাম ও রসদ মজুত থাকলেও জ্বালানির অভাবে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে জলযানগুলো।

ট্রলার মালিকদের দাবি, মাঝসমুদ্রে রান্নার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পরিষেবা। সিলিন্ডার না পাওয়ায় বহু ক্ষেত্রে জেলেদের বন্দরে বসিয়ে খাওয়াতে হচ্ছে। কাজ না থাকলেও প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে পারিশ্রমিক দিতে হচ্ছে তাঁদের। এর ওপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সামনেই মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা ‘ব্যান পিরিয়ড’ শুরু হতে চলেছে। তার আগে অন্তত দু’টি ট্রিপে শিকার বাকি থাকলেও জ্বালানির এই সংকট জেলেদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে এই মরসুমের উপার্জনে বড়সড় ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মৎস্যজীবী বাপ্পা সরদার জানান, ‘আমরা বিভিন্ন ডিলারের কাছে সিলিন্ডারের খোঁজ করছি, কিন্তু কোথাও জোগান নেই। এদিকে সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ, অথচ শুধু গ্যাসের অভাবে আমরা বেরোতে পারছি না। হাতে আর মাত্র এক মাস সময় আছে মাছ ধরার। যদি এই সংকটের সুরাহা না হয়, তবে আমাদের রুজিরুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কাঠের জ্বালানি দিয়ে ট্রলারে রান্নার ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব নয়। তাই সিলিন্ডার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা নিরুপায়'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়