নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রচারে নেমে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের সমস্যার মুখোমুখি হলেন বামফ্রন্ট প্রার্থী সায়ন ব্যানার্জী। বিষয়টি ঘিরে মহেশতলা এলাকায় রাজনৈতিক সাড়া পড়েছে। সবমিলিয়ে, ভোটের আগেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে নাগরিক সমস্যার বাস্তব চিত্র। এখন দেখার, ফলাফলে এই অসন্তোষ কতটা প্রভাব ফেলে এবং আগামী দিনে এলাকার পরিস্থিতির কতটা পরিবর্তন ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , রবিবার সকাল হতেই সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী সায়ন ব্যানার্জী ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি প্রচারে বের হন। আসন্ন লড়াইতে বাম শিবিরের পক্ষে সমর্থন চেয়ে ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি। এই কর্মসূচির মধ্যেই দীর্ঘদিনের নিকাশি জট ও পানীয় জলের সমস্যার কথা তুলে ধরে সরব হন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমানে যিনি বিধায়ক তিনিই কাউন্সিলর, অথচ সামান্য ৩০ মিনিটের বৃষ্টিতেই গোটা অঞ্চল নর্দমার জলে প্লাবিত হয়।

শুধু তাই নয়, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না হওয়া, রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা এবং জল জমে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান, এলাকার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলার দাবিও জানান তাঁরা। দ্রুত এই সমস্যাগুলির স্থায়ী সমাধানের আবেদন করেন বাসিন্দারা।
তাঁদের দাবি, প্রতিনিধিদের কাছে বারবার জানানো সত্ত্বেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই নতুন প্রার্থীকে সামনে পেয়ে নিজেদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন তাঁরা, যাতে ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। সায়ন ব্যানার্জী স্থানীয়দের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং আশ্বাস দেন, নির্বাচিত হলে এই ধরনের মৌলিক সমস্যার সমাধানকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এলাকার বিধায়ক থেকে শুরু করে পৌর কর্তৃপক্ষ-সব দায়িত্বই তৃণমূলের হাতে রয়েছে, তবুও এই প্রাথমিক কাজগুলি সম্পন্ন হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সায়ন ব্যানার্জী জানান, ‘আমি যথেষ্ট আশাবাদী। কারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো কোনও কাজ আমরা করিনি। আমরা শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করা এবং পশ্চিমবঙ্গকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু দুই ফুলের গন্ধে মাথা ধরে যাচ্ছে সকলের। ১৫০০ টাকার ভাতা দেওয়া যেতে পারে, তবে স্থায়ী সমাধান হলো কর্মসংস্থান। চাকরি হলে শুধু একজন যুবক বা যুবতী নয়, একটি পরিবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে, সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হয়। শুধুমাত্র ভাতার জন্য মানুষ লাইনে দাঁড়াবে আর নেতার সন্তান নেতৃত্ব দেবে-এটা চলতে পারে না'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়