নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - বিধানসভা নির্বাচনের আগে ধর্ম ও রাজনীতির সমীকরণ ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনগর। বিজেপির উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি গীতা বিলি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভোটের আগে ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা বলে তোপ তৃণমূলের।
গত ছয় মাস ধরে বীরভূম জেলার বিভিন্ন গ্রামে বিজেপির পক্ষ থেকে গীতা বিতরণ কর্মসূচি চলছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই বুধবার রাজনগর ব্লকের চন্দ্রপুর গ্রামে সাধারণ মানুষের হাতে গীতা তুলে দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ স্থানীয় কর্মীরা। এই উদ্যোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ' এটা সম্পূর্ণভাবে অরাজনৈতিক কর্মসূচি। সনাতনীদের মধ্যে হিন্দুত্বকে জাগ্রত করতে আমাদের এই কর্মসূচি।'
তবে এই উদ্যোগকে ঘিরে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বীরভূমের নেতা কাজল শেখ বলেন, ' বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা ছাড়া আর কোন কাজ নেই। এরা বাংলার মানুষের জন্য কোন উন্নয়ন করেনি তাই ধর্মকেই হাতিয়ার করতে চাইছে। কিন্তু বাংলার মানুষ অতো বোকা নয় মানুষ উন্নয়নে বিশ্বাসী। ২০১১ সাল থেকে মুখ্যমন্ত্রী মানুষের জন্য যে উন্নয়নের কর্মসূচি করে আসছে সেগুলো মানুষ দেখেছে। তাই যতই গীতা বিলি করুক কোনো লাভ হবে না।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়