নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরেই একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে সরানোর পর এবার ২০২১ বিধানসভা এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী হিংসার সঙ্গে যুক্ত ‘দাগি’ পুলিশ আধিকারিকদের তালিকা চাইল কমিশন। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সেই তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন ও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় যেসব এলাকায় হিংসার অভিযোগ উঠেছিল, সেই সব এলাকার থানাগুলিতে দায়িত্বে থাকা অফিসারদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ওই সময়কার থানার ওসি বা দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের নাম, পদ ও দায়িত্বকাল সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা চাওয়া হয়েছে। এই তালিকা রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং বিভিন্ন পুলিশ কমিশনারেটের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের আগে এই তথ্য সংগ্রহকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, অতীতে যেসব এলাকায় ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল, সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে চাইছে কমিশন। সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে এই পুলিশের তালিকা কমিশনের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
প্রতীক জৈনের বউ ও ভাইকে তলব করা হয়েছে
ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ভার্চুয়াল বৈঠক অভিষেকের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়