নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - চাল ভাঙ্গা বাড়ি। জল পড়লে পলিথিন দিয়ে আটকাতে হয়। মাটির বাড়ি থেকে পাকা বাড়ির স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় আভাস যোজনার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল গরীব দুঃখী মামনি মাইতির।
ঘটনাটি বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকা নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের বিরুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা মামন মাইতির অভিযোগ আভাস যোজনার তালিকায় তার নাম ছিল। পঞ্চায়েত থেকে তার বাড়িতে সার্ভে করতেও এসেছিল। শান্তিতে দুবেলা দুমুঠো ভাতের আশায় ছিলেন মামন।
এরপর আশা ভঙ্গ হল। নতুন বাড়ির জন্য ডকুমেন্ট জমা নেওয়া হলেও তাকে ডাকা হয়নি। পঞ্চায়েতে খোঁজ নেওয়া হলেও লাভ হয়নি। গিয়ে দেখেন তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর জানতে পারেন , তার ভাঙ্গা বাড়ির ছবির বদলে অন্য পাকা বাড়ির ছবি দেখানো হয়েছে। নিয়মানুযায়ী , আর পাকা বাড়ি পাবেন না তিনি।

ঘটনার প্রতিবাদে সুর তুলেছে তৃণমূল। তাদের মতে ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতিক স্বার্থ কাজে লাগিয়ে গরীব মানুষের মাথার ছাদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিজেপি যদিও পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তারা এহেন অভিযোগ মানতে নারাজ। ঘটনায় দুই দলেরই নেতৃত্বরা মুখ খুলেছেন।
নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি রবিন জানা জানিয়েছেন, "বিজেপি এইভাবেই গরীব মানুষের থেকে দিনের পর দিন টাকা লুট করেছে। আজকে তারা এতটাই নীচে নেমে গেছে যে একটা গরীব মানুষ যে দিন আনে দিন খায় , মাটির বাড়ি। বৃষ্টি হলেও জল ঢুকে যায়। যার বাড়ি দেখলে বুক কেঁপে ওঠে। তার থেকে বাড়ি কেড়ে নিল। ইচ্ছে করে তারা এই কাজ করেছে।"
অন্যদিকে বিজেপি নেতা প্রলয় পাল জানিয়েছেন , "বিজেপি কোনোভাবেই পক্ষপাতিত্বের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। এই এলাকায় চারশোর ওপর মানুষ আভাস যোজনার বাড়ি পেয়েছে। আমরা যদি গরীব মানুষকে লুটে নিতাম তাহলে এরাও বাড়ি পেত না। তারা কি সবাই বিজেপি সমর্থক? রাজনীতি তো চলবেই। তবে এই অপবাদগুলো তৃণমূল আগেও দিয়েছে ভবিষ্যতেও করবে। তবে বিজেপি যেমন মানুষের জন্য কাজ করেছে আগামী দিনেও করবে।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়