নিজস্ব প্রতিনিধি , ঝাড়খণ্ড - পাহাড়, জঙ্গল, নির্জন গ্রাম্য পরিবেশের মাঝে লুকিয়ে রয়েছে ইতিহাসের এক আশ্চর্য অধ্যায় মালুতি। ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার এই ছোট্ট গ্রাম একসময় ছিল মন্দির নগরী নামে পরিচিত। কথিত আছে, এখানে একসময়ে ১০৮টি টেরাকোটা মন্দির ছিল। এখন অনেক মন্দির ভগ্নপ্রায় হলেও পোড়া মাটির সূক্ষ্ম কারুকাজ আজও পর্যটকদের মুগ্ধ করে।
মালুতির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মৌলিক্ষা মাতা মন্দির। স্থানীয়দের বিশ্বাস, দেবী অত্যন্ত জাগ্রত। বহু মানুষ মানত নিয়ে এখানে আসেন। শোনা যায়, সাধক বামাক্ষ্যাপা তারাপীঠ যাওয়ার আগে এখানে পুজো দিতেন। মন্দিরের গায়ে রামায়ণ, মহাভারতের নানা দৃশ্য খোদাই করা রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই মন্দিরগুলির নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় সতেরোশো শতকে। গ্রামের অলিগলি ঘুরলেই চোখে পড়ে প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যের অসাধারণ নিদর্শন।
শহরের কোলাহল থেকে দূরে কয়েক ঘণ্টা কাটাতে চাইলে মালুতি হতে পারে আদর্শ জায়গা। ইতিহাস, লোককথা, আধ্যাত্মিকতা সবকিছুর মিশেল রয়েছে এখানে। শীতের সকাল কিংবা বর্ষার মেঘলা আবহে এই গ্রাম যেন অন্য এক অনুভূতি দেয়। এখনও বহু মানুষ মালুতির নামই জানেন না। তাই অজানা আর নতুন জায়গা দেখতে চাইলে একবার ঘুরে আসতেই পারেন মালুতির টেরাকোটা মন্দিরে।
পুজোর ছুটিতে কম সময়ে পাহাড় ভ্রমণের পরিকল্পনা
কুয়াশা-জঙ্গলে আজও তাড়া করে রহস্যময় মুণ্ডহীন ছায়া
মন্দিরের পাশাপাশি জুট-টেক্সটাইল মিল গড়ার ভাবনা
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের