নিজস্ব প্রতিনিধি , মুর্শিদাবাদ - যুগের পর যুগ কেটে গেলেও পাকা রাস্তা না হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভরতপুর ১ নং ব্লকের রাধানগর গ্রামে। প্রশাসনের আশ্বাসে শেষবারের মতো আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। তবে প্রশ্ন একটাই - এবার বাস্তবে বদল আসবে, নাকি আবারও তা থেকে যাবে প্রতিশ্রুতির খাতায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , দেশভাগের সময় গড়ে ওঠা এই গ্রামে প্রায় ৭৬ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। গ্রামের প্রধান রাস্তাটি আজও কাঁচা, জরাজীর্ণ। বর্ষা নামলেই এক হাঁটু কাদা, বড় বড় গর্তে নাজেহাল অবস্থায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া, কলেজগামী, অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য যাতায়াত কার্যত দুঃস্বপ্ন।

অভিযোগ, বহুবার প্রতিশ্রুতি মিললেও কাজের অগ্রগতি শূন্য। ভোট আসে, নির্বাচন যায়, প্রতিনিধিরা উপস্থিত হন, কিন্তু সমাধান অধরাই থেকে যায়। দীর্ঘদিনের ক্ষোভে সোমবার ফের গণস্বাক্ষর সংবলিত আবেদনপত্র বিডিও-র দফতরে জমা দেন গ্রামবাসীরা। দাবি, অবিলম্বে ১৬০০ মিটার রাস্তা পাকা পিচের করা হোক। তবে এবার আশ্বাস নয়, দ্রুত বাস্তবায়ন চান তাঁরা।
গ্রামবাসী সোনালী বৈদ্য জানান, 'জন্ম থেকে দেখছি এই রাস্তা কখনও মেরামত পর্যন্ত হয়নি। সকাল ৯টার ট্রেন থাকলে বাড়ি থেকে টিফিন নিয়ে ৭টায় বেরোতে হয়। অন্য প্রয়োজনে প্রশাসনের দফতরে গেলে কাজ এগোয়। কিন্তু রাস্তার কথা তুললেই বলা হয়, রাধানগর নামে গ্রাম আছে সেটাই জানেন না তাঁরা। শুধুমাত্র এই সমস্যার জন্য আমরা সবদিক থেকে পিছিয়ে পড়ছি। একটাই দাবি - পাকা রাস্তা হোক'।
অন্য বাসিন্দা সরস্বতী বৈদ্য জানান, 'ভোটের সময় প্রতিনিধিরা প্রতিদিন বাড়ি আসেন, কিন্তু পরে তাঁদের দেখা মেলে না। বছরে প্রায় ৩ মাস হাঁটু সমান কাদা থাকে। বড়রা কষ্ট করে কাজ সামলান, বাচ্চারা পারে না। গ্রামে প্রাইমারি স্কুল, হাসপাতাল কিছুই নেই। বর্ষাকালে অনেক অসুস্থ মানুষ চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। অবিলম্বে আমাদের রাস্তা করে দিতে হবে। নাহলে ভোট চাইতে এলেই ব্যবস্থা নেব'।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট বিডিও জানান, 'গ্রামবাসীরা বিষয়টি আমাকে লিখিত জানিয়েছেন। আশপাশের সব এলাকাতেই রাস্তাঘাট ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র রাধানগর বঞ্চিত রয়েছে। আমরা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব'।
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর