নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - একদিন আগেই বিজেপি বিধায়কের গাড়ি আটকে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। সোনামুখীতে শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এই হামলার জন্য আঙুল তোলেন বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। প্রতিবাদে চরম বিরোধিতা জানায় বিরোধীরা। এবার বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ আনছে শাসক দল। পথ অবরোধ বসল তৃণমূল। বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর অভিযোগ শাসক গোষ্ঠি।
সূত্রের খবর , সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর উপর হামলার ঘটনায় এবার পাল্টা পথে নামলো তৃনমূল ও এলাকার সাধারণ মানুষ। বিধায়কের বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলে সোনামুখীর নফরডাঙ্গায় পথ অবরোধ করল তারা। ঘটনায় শাসক দলের বিরুদ্ধে বিধায়ক একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান অবরোধকারীরা।

ঘটনা প্রসঙ্গে সাহেবগঞ্জ বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য দেবু বাউরী জানিয়েছেন , "পাঁচ বছর ধরে কোথায় ছিলেন দিবাকর ঘরামি? এখন হঠাৎ ভোট এসছে বলে এলাকায় হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছেন তিনি। ইচ্ছাকৃতভাবে তিনি ধর্ম বিভেদ তৈরি করছেন। আমরা বরাবরই হিন্দু মুসলিম দুজনে মিলেমিশে থাকি। এলাকায় কোনো সমস্যা নেই। তবে তিনি সমস্যা তৈরির চেষ্টা করছেন।"

বিক্ষোভকারী রাহুল মিদ্দা জানিয়েছেন , "ভোটের মুখে উনি হঠাৎ একজন হুইল চেয়ারে বসে থাকা নাগরিককে সাহায্য করতে গিয়েছিলেন। আমরা তাকে উন্নয়নের কথা জিজ্ঞেস করতেই উনি হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করে। ভুলভাল কথা বলতে শুরু করে। শাসক গোষ্ঠীর ওপর আঙুল তোলে।সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি ওই মামলা প্রত্যাহার করছে ততক্ষণ অবধি আমরা এই আন্দোলন অবরোধ চালিয়ে যাব।"
উল্লেখ্য , মহেশপুর গ্রামে এক বৃদ্ধ অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পড়ে রয়েছেন। সোমবার একটি হুইল চেয়ার ও চিকিৎসায় সাহায্যের জন্য কিছু নগদ টাকা নিয়ে বৃদ্ধের বাড়ি গিয়েছিলেন সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। সোমবার বিকেলে বাঁকুড়ার সোনামুখী এলাকার মহেশপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন দিবাকর। অভিযোগ, মহেশপুরে তাঁর গাড়ি আটকে প্রতিবাদ শুরু করে একদল। বিধায়ককে ঘিরে হঠাৎ ‘গো ব্যাক’ স্লোগান শুরু হয়। এরপর তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। খুনের হুমকি দেওয়া হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিধায়ক।
বিজেপি বিধায়ক দিবাকর বলেছিলেন , "সোনামুখীতে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোনও দিন ছিল না। বাংলাদেশ কিংবা এ রাজ্যে মুর্শিদাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে আজ সোনামুখীতে তার পুনরাবৃত্তি হল। আমি গ্রাম থেকে বেরোনোর আগে তৃণমূলের এক যুবনেতা আমার গাড়ির সামনে বাইক দাঁড় করিয়ে আমাকে নেমে আসতে বলেন। আমি নেমে কথা বলতে গেলে লোকজন ডেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলেন। আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেন। এই হামলার নেতৃত্বে তৃণমূল। হামলাকারীদের যতক্ষণ পর্যন্ত না গ্রেফতার করা হচ্ছে, ততক্ষণ আমাদের অবরোধ চলবে।"
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর