নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরেই শাসক শিবিরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে পুরনো ঘর কংগ্রেসে ফিরে গেলেন বাদুড়িয়ার বিধায়ক কাজী আব্দুর রহিম দিলু। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এআইসিসি (AICC) সদর দফতরে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে হাত শিবিরে যোগদান করেন তিনি। দলত্যাগের পরেই তৃণমূলের অন্দরে চলা একাধিক বিষয় নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন এই অভিজ্ঞ নেতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী আব্দুর রহিম দিলুর বাবা কাজী আব্দুল গফফার দীর্ঘ ৫০ বছর বাদুড়িয়ায় কংগ্রেস বিধায়ক ছিলেন। ২০২১ সালের কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন দিলু। সেই নির্বাচনে প্রায় ৫৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেও, গত কয়েক বছর ধরে সংগঠনের ভিতরে নিজেকে কোণঠাসা মনে করছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর মতে, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তিনি বুঝতে পারেন কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন, তাঁদের বদলে যারা প্রকাশ্যে বিরোধিতা বা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল, তারাই প্রাধান্য পাচ্ছে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে কাজী আব্দুর রহিম দিলু দাবি করেন, আদর্শের টানেই তিনি তৃণমূলে এসেছিলেন। কারণ তাঁর কাছে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর সংগঠনের চেয়ে দেশ আরও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত কয়েক বছরে তিনি উপলব্ধি করেন, যে উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি ঘাসফুল শিবিরে এসেছিলেন, তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এমনকি কর্মীদের প্রাপ্য মর্যাদা না দিয়ে বিরোধিতাকারীদের পুরস্কৃত করার নীতি তিনি মেনে নিতে পারেননি। দলের প্রতি অনুগত থাকলেও আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে কাজ করা তাঁর রুচিতে বাধে বলেই সশরীরে দিল্লিতে গিয়ে পুরনো দলে ফেরার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
বিদায়ী বিধায়কের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে তাঁকে বিশ্বাসযোগ্য মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিলেও বর্তমান কার্যপদ্ধতি ও প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া তাঁকে হতাশ করেছে। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের আশীর্বাদই তাঁর আসল শক্তি। টিকিট কেন দেওয়া হলো না, সেই প্রশ্ন ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কাছে পৌঁছালেও কোনো সদর্থক উত্তর না মেলায় তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০২১-এ বাদুড়িয়া কেন্দ্রটি তৃণমূল জিতলেও, ২০২৬-এর নির্বাচনে কংগ্রেসের হাত ধরে এই দুর্গ পুনরুদ্ধার করাই এখন তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কাজী আব্দুর রহিম দিলু বলেন, 'আমি দলের হয়ে কাজ করেছি, কিন্তু সেখানে যোগ্য সম্মান পাচ্ছিলাম না। যারা দলের ক্ষতি করেছে, তাদেরই বড় পদ দেওয়া হচ্ছে। মমতা দি আমাকে বিশ্বাস করলেও দলের বর্তমান নীতিতে আমি নিজেকে গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমি আমার বাবার আদর্শের জায়গায় ফিরে এলাম। সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ থাকলে বাদুড়িয়ার মাটিতে পুনরায় কংগ্রেসের জয়পতাকা উড়বে বলেই আমার বিশ্বাস'।
তার এই দাবি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক
তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে উত্তাল রাজনৈতিক মহল
প্রথম দফা ভোটের আগে শেষ প্রচার অমিত শাহের
মেদিনীপুরের আগাম উত্তরসূরি ঘোষণা মমতার
নাম না করে অধিকারী পরিবারকে নিশানা মমতার
ভোটের মুখে বিপাকে হুমায়ুন কবীর
তৃণমূল - আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় মহল
ফের একবার মমতাকে উৎখাতের ডাক অমিত শাহের
থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
বিষয়টি ঘিরে এখন এলাকায় তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
যদিও বিরোধী শিবির সমস্ত দাবি অস্বীকার করেছে
শাসক-বিরোধী তরজায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে
দিনহাটার মহকুমাশাসকের দ্বারস্থ হন উদয়ন গুহ
এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন