নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - স্বাধীনতার পর সাত দশকের বেশি সময়ে ভারতের স্কুলশিক্ষায় এসেছে একাধিক বড় পরিবর্তন। বেড়েছে সাক্ষরতার হার, তৈরি হয়েছে নতুন স্কুল। এমনকি চালু হয়েছে নানা সরকারি প্রকল্পও। প্রযুক্তির হাত ধরে বদলেছে ক্লাসরুমের ছবিও। কিন্তু এসব অগ্রগতির মাঝেও শিক্ষক সঙ্কট, স্কুলছুট আর পরিকাঠামোর ঘাটতি এখনও বড় সমস্যা।
স্বাধীনতার সময় দেশে শিক্ষার সুযোগ সীমিত থাকায় সাক্ষরতার হারও ছিল অত্যন্ত কম। পরে একাধিক শিক্ষা কমিশন, জাতীয় শিক্ষানীতি আর সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সেই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা হয়। ১৯৬৮ সালের প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি থেকে শুরু করে ১৯৮৬ সালের শিক্ষা সংস্কার, ‘অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড’, ‘সর্বশিক্ষা অভিযান’ সবের লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া। ১৯৯৫ সালে চালু হওয়া মিড-ডে মিল প্রকল্পও বহু শিশুকে স্কুলে ধরে রাখতে সাহায্য করে।
২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন শিক্ষাক্ষেত্রে আরও বড় পরিবর্তন আনে। ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়। পরে স্মার্ট বোর্ড, অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল পাঠ্যসামগ্রী সহ প্রযুক্তি ধীরে ধীরে স্কুলে ঢুকে পড়ে। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে ৫+৩+৩+৪ কাঠামো চালু করে ছোট বয়স থেকেই দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরে ভর্তি হওয়া বহু পড়ুয়া পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পৌঁছতে পারছে না। পর্যাপ্ত স্কুলের অভাব, আর্থিক সমস্যা, পারিবারিক পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন কারণে অনেক শিশুই মাঝপথে শিক্ষা ছেড়ে দিচ্ছে। পাশাপাশি বহু সরকারি স্কুলে প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক কম থাকায় পড়াশোনার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
সাক্ষরতার হার প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছলেও শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে শিক্ষার উন্নতি বিচার করা সম্ভব নয়। প্রযুক্তিনির্ভর ক্লাসরুমের পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো আর পড়ুয়াদের ধরে রাখার ব্যবস্থা জরুরি। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত শিক্ষার সুযোগ সমান করতে না পারলে স্বাধীনতার এত বছরের অগ্রগতি সম্পূর্ণ সাফল্যে পরিণত হবে না। তাই আগামী দিনে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রযুক্তির পাশাপাশি স্কুলের মৌলিক সমস্যাগুলির সমাধান।
জানুন দ্রুত বুকিংয়ের জন্য কোন অ্যাপ এগিয়ে
কোন প্যাক আপনার জন্য বেশি লাভজনক
সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় দেওয়া হল কর্মীদের
২৫ বছরের চাকরিতে কত টাকা মিলতে পারে জানুন সহজ হিসেব
২০২৭ এ বাজারে আসতে পারে নতুন ইলেকট্রিক ট্র্যাক্টর
সর্দি-কাশির বিশেষ কিছু সিরাপ ব্যবহারে লাগাম
উৎসবের মরশুমে চিনির চাহিদা বাড়ার আশঙ্কা
কয়েকটি ধাপ মেনে বন্ধ করা যাবে এই প্রক্রিয়াটি
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের