নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - শীত নামতেই ভোরবেলা বৈষ্ণবনগর বদলে যায় এক অপরূপ রূপে। চারদিকের শান্ত, ঠান্ডা পরিবেশে প্রকৃতির এক সরলতা ফুঁটে ওঠে। সূর্য ওঠার আগেই চারদিক ঢেকে যায় কোমল কুয়াশার চাদরে। ভোরবেলা যেন এক অন্য সৌন্দর্যে ভরে ওঠে গোটা গ্রাম।
সকাল হতেই কৃষকরা কোদাল, দাওলি হাতে বেরিয়ে পড়ে নিজেদের দৈনন্দিন কৃষিকাজে। দূর থেকে ভেসে আসে মাটির ঘ্রাণ আর দেখা যায় সারি সারি সবুজ ক্ষেত। ঘন কুয়াশা কাটিয়ে বৈষ্ণবনগরের লালপুর ফেরী ঘাট থেকে ধুলিয়ান পর্যন্ত নৌকোগুলো আসা যাওয়া করে। গ্রামের মানুষ সেই নৌকো করেই প্রতিদিনের কাজে রওনা দেয়। গ্রামের ভিতরে চোখে পড়ে আরও পরিচিত দৃশ্য। গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েরা পুকুরপাড়ে মাছ ধরছে। তাদের এই আনন্দে সকালটা যেন আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আবার রাস্তায় দেখা যায় ঘোড়ার গাড়ি যা এখন শহরে দেখা যায় না বললেই চলে। তবে গ্রামের মানুষ এখনও তাদের পুরোনো পরিবহণ ব্যবস্থাকে ধরে রেখেছে।
আর শীতের সকাল মানেই চায়ের দোকানে ভিড়। শীতের সকালে এক কাপ চা খেলেই যেন মনটা ভরে যায়। গ্রামের মানুষজনের চা হাতে আড্ডা আর গল্প মাধ্যমে শীতের সকালটা যেন জমে ওঠে। সব মিলিয়ে বৈষ্ণবনগরের শীতের সকাল যেন এক অনন্য আবহ তৈরি করে। শান্ত পরিবেশ, প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষজনের সহজ জীবনযাত্রা আর কুয়াশায় মোড়া সবুজ মাঠ যা শহরের তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তির, অনেক বেশি প্রকৃতির কাছাকাছি।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর