নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - নভেম্বর শুরু হতেই ক্লান্তহীন ভাবে বইতে শুরু করে উত্তরের হাওয়া। জানান দেয় শীত আসছে। আর শীতকাল মানেই খাদ্যরসিক বাঙালির যেন উৎসবের আমেজের শুরু। বাজারে টাটকা ফুলকপি থেকে নলেন গুড়ের মিষ্টি, কোনো কিছুই কিনতে বাকী রাখে না। শীতে বাঙালির চিরপরিচিত গন্ধ, মিষ্টি, সুন্দর সুবাস যা শুধু নলেন গুড়েই পাওয়া যায়। মিষ্টির দোকানে ভীড় জমে। রসগোল্লা, সন্দেশ, পিঠে, পায়েস - যেখানে নলেন গুড়, সেখানেই শীতের স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যায়। তবে এই নামকরণের পশ্চাতে রয়েছে মিষ্টি এক তাৎপর্য।

কিন্তু ‘নলেন’ নামটা এল কোথা থেকে? বাঙালি প্রত্যেক খাবারের নামকরণ করে গভীর চিন্তাভাবনার সাথে। নলেন গুড় নামটাও তার থেকে বাদ পড়েনি। জানুয়ারি মাসে নতুন বছর নতুন আশা তৈরি করে, তাই ‘নতুন’ শব্দ থেকেই এসেছে ‘নলেন’। অনেকে আবার মনে করে, খেজুর গাছের গায়ে ‘নল’ কেটে রস সংগ্রহ করা হয়, সেই কারণেই নাম নলেন। আবার দক্ষিণ ভারতের ‘নরকু’ যার অর্থ ছেদন অথবা কাটা শব্দটির সঙ্গেও এমন নামের যোগ আছে।

শীতের কুয়াশামাখা ভোরে খেজুর গাছের গায়ে ঝুলে থাকা হাঁড়িতে টপটপ করে রস জমা হওয়ার দৃশ্য যেন শীতের অবিচ্ছেদ্য ছবি। সেই রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হয় দানা, ঝোলা ও নলেন গুড়। ঝোলা গুড় তরল, পাটালি কঠিন। তবে দুটির স্বাদ, গন্ধ সম্পূর্ণই আলাদা। নলেন গুড়ের জনপ্রিয়তা বাঙালির মনে সর্বদা অটুট ভালোবাসার জায়গা করে আছে। শীতে খাবারের তালিকা যত লম্বা হয়, ততই যেন আবশ্যক হয়ে পরে মিষ্টির তালিকা। তবে শুধু মিষ্টি বললে অন্যায় হবে, বাঙালির প্রিয় নলেন গুড়ের মিষ্টি।

এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন