নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - কনটেন্ট ক্রিয়েটার দুর্লভ সাহার রহস্য মৃত্যুর নেপথ্যে সত্যি উন্মোচন করল দুর্লভের বাবা মা। সালমার পরে এবার একই অভিযোগ জানিয়েছেন তারা। সালমা সরকার নয়, দুর্লভের আত্মঘাতী হওয়ার পিছনে আসল খুনি তার স্ত্রী, মৌসুমী সাহা।
জট খুলছে একের পর এক ! স্বামীর মৃত্যুর পর নিজেকে বাঁচাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটার সালমা সরকারের বিরুদ্ধে হরিশচন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন মৌসুমী সাহা। কিন্তু সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করেছিল সালমা, গণমাধ্যমের সামনে সত্যিটা জানায় সে। মৌসুমীর সঙ্গে অশান্তির জেরেই দুর্লভ আত্মঘাতী হয়েছে। একই অভিযোগ জানিয়েছেন দুর্লভের মা বাবা। একাধিকবার মৌসুমী তাদের নামে পুলিশে ডায়েরি করেছিলেন, বাচ্চাদের ভরণপোষণের নাম দশ লক্ষ টাকা দাবি করে মৌসুমী।

পরবর্তীকালে সেই টাকার পরিমাণ বেড়ে হয় পনেরো লক্ষ। শশুরবাড়ির নামে মিথ্যে মামলা বারবার করেছিল পুলিশের কাছে ,এমনকি দুর্লভের বাবা মাকে জেল খাটতে হয় চোদ্দ দিন। বেশ কিছুদিন যাবৎ দুই মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করে মৌসুমী সাহা। মানসিক অবসাদের ভুগছিল দুর্লভ। সম্পত্তি থেকে ভাগ না পাওয়ার পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছিল মৌসুমী। দুর্লভের বাবা মা জমি বাড়ি বিক্রি করে টাকা দিতে রাজি হয়। কিন্তু দুর্লভের আকস্মিক মৃত্যুর পর মৌসুমী সাহার নামে পুলিশে অভিযোগ করে দুর্লভের বাবা। ছেলেকে হারিয়ে মানসিক অবসাদের রয়েছেন দুর্লভের মা।

দুর্লভের মা বাবা অভিযোগ জানিয়েছেন ," এটা মৌসুমীর দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের দুই বছর পর থেকেই অশান্তি লেগেই থাকতো পরিবারে। কখনও পারিবারিক কারণে, কখনও সন্দেহের বশে মৌসুমী দুর্লভকে অপদস্থ করতেন। মাঝে আমাদের চোদ্দদিন জেলে যেতে হয়েছিল। ডিভোর্সের সময় ক্ষতিপূরণবশত মৌসুমী দুই মেয়ের ভরণ পোষণের জন্য পনেরো লক্ষ টাকা দাবী করে। আমরা জমি বাড়ি বিক্রি করে টাকা দিতে রাজি হই। গত ৬ই ডিসেম্বর ছেলে আত্মহত্যা করেছে। এটা মানতে পারছি না, পুলিশ বিচার করুক। কঠোর শাস্তি চাই।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর