নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবকের খুনের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার অভিযুক্তরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমডাঙা এলাকায়। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই সাফল্যের কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসডিপিও-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গত ৩০শে জানুয়ারি বিকেল ৫টা নাগাদ রামপুর বাজারের একটি ঘর থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে জানা যায় নিহতের নাম জহিরুল ইসলাম (২৫), বাড়ি সাধনপুর। একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধরা পড়ে, ২৯শে জানুয়ারি রাতেই এই নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছিল।

দীর্ঘ তদন্তের পর বিভিন্ন তথ্য ও সূত্র অনুসন্ধান করে পুলিশ গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি রবিউল ইসলাম নামে এক যুবককে প্রথমে আটক করে। জেরায় রবিউল স্বীকার করে যে তার ভাই আবিদুল এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কিন্তু তদন্তকারীরা নিশ্চিত ছিলেন, হত্যার কৌশল একজনের পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। পরে দেখা যায়, খুনের সময় দুই ভাই-ই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।
ঘটনার পর থেকেই আবিদুল আত্মগোপন করে। পুলিশ জানতে পারে, সে কাজের বাহানা করে মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় রয়েছে। এরপরই একটি বিশেষ টিম পাঠানো হয়। সেখানকার নির্মল নগর থানার সহায়তায় ১৮ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে রাজ্যে আনা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে, রবিউল ও আবিদুল দু'জনেই পেশায় সেলাইয়ের কাজ করত। মৃত যুবক দৈনিক চড়া সুদে টাকা ধার দিত। আবিদুল তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা ধার নিয়েছিল। কিন্তু যথাসময়ে ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জহিরুল তাকে নিয়মিত অপমান করত। এমনকি ঘরবাড়ি কেড়ে নেওয়ার হুমকিও দিত। সেই কারণেই রাগ ও ভয় থেকে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার জানান, 'ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে জহিরুলকে মারা হয়েছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা কেটে ফেলা হয়। তার বাইকটি একটি জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, যা আমরা উদ্ধার করি। রবিউলও উত্তরপ্রদেশে পালিয়েছিল। এলাকায় ফিরতেই ধরা পড়ে। তার সূত্র ধরেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়'।
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়