নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক - রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতকে জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরামর্শদাতা পিটার নাভারো। তাঁকে তুলোধোনা করে ভারতের পাশে দাঁড়ালেন ইলন মাস্ক। বেজায় চটেছেন পিটারও। পাল্টা তোপ দেগেছেন ট্রাম্প ঘনিষ্ঠও।
পিটারের পোস্টের নীচে এক্স-এর তরফে লেখা হয়, “পাঠকদের যোগ করা কিছু প্রসঙ্গ, যা মানুষের জানা দরকার। ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত জ্বালানি নিরাপত্তার কারণে, শুধু লাভের জন্য নয়। এই সিদ্ধান্ত কোনও বিধিনিষেধ লঙ্ঘনও করে না। ভারত শুল্ক নেয় ঠিকই, তবে পরিষেবার ক্ষেত্রে আমেরিকারও বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। তা ছাড়া, আমেরিকা তো রাশিয়ার কাছ থেকে কিছু কিছু জিনিস কিনে থাকে, এটা ভণ্ডামি।“
পাশাপাশি পিটারকে উদ্দেশ্য করে এক্স লিখেছে, ‘‘পিটারের দাবি ভণ্ড। ভারতের রুশ তেল কেনার সিদ্ধান্ত আইনসম্মত, সার্বভৌম এবং জ্বালানি নিরাপত্তার কারণেই এই তেল কেনা হয়। আন্তর্জাতিক আইন এতে লঙ্ঘিত হয় না। ভারতকে চাপ দিচ্ছে আমেরিকা, আবার তারাই কোটি কোটি টাকা দিয়ে রাশিয়ার ইউরেনিয়াম এবং অন্যান্য জিনিস কিনছে। আমেরিকার দ্বিচারিতা এ ভাবে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।“
পাল্টা ক্ষুব্ধ পিটার লিখেছেন, “বাহ্! মাস্ক আজকাল নিজের বক্তব্য মানুষের পোস্টে ঢুকে প্রচার করছেন! আমার পোস্টের নীচের মন্তব্য জঘন্য। ভারত শুধুমাত্র লাভের জন্যই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনে। রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার আগে তো ওরা তেল কিনত না। ভারত সরকারের মেরুদণ্ড বেঁকে যাচ্ছে। ইউক্রেনীয়দের নিধন বন্ধ করুন। আমেরিকানদের চাকরি খাওয়া বন্ধ করুন।“
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীরা
পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির ছায়া
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
আমেরিকা-ইজরায়েলকে প্রত্যাঘ্যাত করতে মরিয়া ইরান
গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর