নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরও বিতর্কের কেন্দ্রেই রয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনে পরাজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা না দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের ঘোষণা হওয়ার পরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও নিজেকে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ হিসেবেই উল্লেখ করে রেখেছেন মমতা। আর সেই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সরিয়ে বাংলায় প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। ফল প্রকাশের পর থেকেই ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, 'আমি হারিনি, ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। তাই ইস্তফা দেব না।' এমনকি রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলেও তিনি পদত্যাগ করবেন না বলেও মন্তব্য করেছিলেন।
তবে সংবিধান অনুযায়ী, ৭ মে তৃতীয় মমতা সরকারের মেয়াদ শেষ হতেই রাজ্যপাল আর এন রবি বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ দেন। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রীর পদে আর নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির নতুন সরকার শপথ নিতে চলেছে।
কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যেও মমতার সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইলে এখনও ‘Chief Minister of West Bengal’ পরিচয় বহাল রয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, জনতার রায়কে অস্বীকার করেই এখনও বাস্তব মেনে নিতে চাইছেন না তৃণমূল নেত্রী। অন্যদিকে তৃণমূলের একাংশের দাবি, এটি নিছকই প্রযুক্তিগত বা আপডেট না হওয়া বিষয়, এর সঙ্গে রাজনৈতিক বার্তার কোনও সম্পর্ক নেই।
মুখ্যমন্ত্রী হতেই শুভেচ্ছা হাসিনার
শনিবার ব্রিগেডের গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবে শুভেন্দু অধিকারী
শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন অমিত শাহ
শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করলেন অমিত শাহ
শনিবার থেকে বদলাতে চলেছে মন্ত্রীসভার চেহারা
শনিবার ব্রিগেড গ্রাউন্ডে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী
ব্রিগেডে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান ঘিরে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়
২৪ ঘন্টার মধ্যে শোকজের জবাব দেওয়ার নির্দেশ শাসক দলের
দুর্যোগের আশঙ্কায় আগে থেকে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে
বিমানবন্দরে নেমে সোজা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যান পুজো দিতে
পাশের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা
ইস্তফা না দিলেও কার্যত বিদায়ী মমতা সরকার
অমিত শাহের হাত ধরেই রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে