নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - আইসিএসই (দশম) পরীক্ষায় সর্বভারতীয় ও রাজ্যস্তরে তৃতীয় স্থান অর্জন করে নজির গড়ল অদ্রিয় চক্রবর্তী। কৃষ্ণনগর বিশপ মরো স্কুলের এই ছাত্র ৯৯.০৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে জেলার মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করেছে। মেধাবী এই পড়ুয়ার অভাবনীয় সাফল্যে পরিবারসহ গোটা নদীয়া জেলায় বর্তমানে গর্বের আবহ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণনগর পৌরসভার বি এল চ্যাটার্জি লেন নেদের পাড়া এলাকার বাসিন্দা অদ্রিয়। ছোটবেলা থেকেই মেধার পরিচয় দিয়ে আসা এই ছাত্র প্রতিটি শ্রেণিতেই প্রথম স্থান অধিকার করত। এবার বোর্ডের চূড়ান্ত পরীক্ষাতেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে ৯৯.০৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে নদীয়া জেলা তথা রাজ্যে কৃতিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে সে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকা, গিটার বাজানো, আবৃত্তি ও লেখালেখিতেও বিশেষ পারদর্শী এই কিশোর। এছাড়া ফুটবল, ব্যাডমিন্টনের প্রতিও তার প্রবল আগ্রহ রয়েছে।
ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায় অদ্রিয়। পড়াশোনার সুশৃঙ্খল অভ্যাস ও অধ্যবসায় দেখে মুগ্ধ শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ অভিভাবক সকলেই। নিজের শখ, পড়াশোনা- দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই তার এই সাফল্যের চাবিকাঠি। এই ফলের পর স্বাভাবিকভাবেই খুশির জোয়ার বইছে নেদের পাড়া এলাকায়।
সাফল্যের বিষয়ে অদ্রিয় চক্রবর্তী জানায়, ‘ফলাফল দেখে আমি যথেষ্ট খুশি। পড়াশোনা করতে আমি বরাবরই ভালোবাসি। যদিও আমার লক্ষ্য ছিল ১০০ শতাংশ নম্বর পাওয়া, তবুও যা পেয়েছি তাতে আমি সন্তুষ্ট। তবে আগামী দিনের পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে যাতে পূর্ণ নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হতে পারি, সেই দিকেই আমার নজর থাকবে। নিজের পড়ার জগৎ বজায় রেখেই অন্য সব কাজ করতে ভালোবাসি’।
অদ্রিয়র মা জানান, 'বাচ্চারা ৯-১০ ক্লাসে উঠলে অনেক সময় মোবাইল বা টিভিতে আসক্ত হয়ে পড়ে। এই সময় মায়েদের কড়া নজর রাখা দরকার। প্রতিদিন স্কুল থেকে এলে খাতা বা ব্যাগ চেক করে পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে কি না দেখা প্রয়োজন। শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং সন্তানদের সঙ্গে কথা বলা খুব জরুরি। আমি যতটা পেরেছি করেছি। প্রত্যেক অভিভাবক এভাবে সচেতন থাকলে অনেকেই ভালো ফল করবে'।
ছেলের সাফল্যে অদ্রিয়র বাবা বলেন, 'আমি ভীষণ খুশি। যা আশা করেছিলাম, ঠিক সেটাই হয়েছে। কারণ এল কেজি থেকে এখন পর্যন্ত ছেলে সবসময় প্রথম হয়ে এসেছে। ছোট থেকেই পড়াশোনার প্রতি ওর প্রবল আগ্রহ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তবে ছেলে সবথেকে বেশি সাপোর্ট ওর মায়ের কাছ থেকেই পেয়েছে'।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৮৬.৯০ শতাংশ
মগরাহাট পশ্চিমে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে
ইভিএম ও ব্যালট পেপারের স্বচ্ছতা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতৃত্ব
ফলে এই কেন্দ্রে ৪ মে নির্ধারিত গণনাও স্থগিত থাকতে পারে বলে জল্পনা তুঙ্গে
প্রশাসনের বিরুদ্ধে উঠেছে উদাসীনতার অভিযোগ
জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি
ভোটদানে এগিয়ে রয়েছে মগরাহাট পশ্চিম
এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা
শতাংশের হারে মগরাহাট এগিয়ে
কালবৈশাখীর পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সকাল থেকেই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাট পশ্চিমে পুনভোট
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন
বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৮৬.৯০ শতাংশ
এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সকাল থেকেই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে...
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও