নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি - দিল্লির রাস্তায় প্রতিদিন হাঁটেন এক বৃদ্ধ মানুষ। কারো দরজায় গিয়ে কড়া নাড়েন, কারো কাছ থেকে গ্রহণ করেন অব্যবহৃত ওষুধ। কোনো ব্যক্তিগত লাভ নয়, কোনো লাভ নয়,শুধু মানবতার জন্যই তাঁর এই লড়াই। তিনি ওমকার নাথ শর্মা, সবার কাছে পরিচিত ‘মেডিসিন বাবা’ নামে। ৮৭ বছর বয়সেও তিনি অক্লান্তভাবে কাজ করে চলেছেন দরিদ্র মানুষের জন্য।
উত্তরপ্রদেশে জন্মানো ওমকার নাথ শর্মা ছিলেন কাইলাশ হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত ব্লাড ব্যাংক টেকনিশিয়ান। তবে তাঁর জীবন বদলে যায় ২০০৮ সালে, যখন পূর্ব দিল্লিতে একটি আন্ডার-কনস্ট্রাকশন মেট্রো ব্রিজ ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হন, কিন্তু স্থানীয় হাসপাতালে ওষুধ না থাকায় এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে না পারায় অনেকেই মারা যান। সেই দৃশ্য দেখে গভীরভাবে নাড়া দেয় ওমকারের মন। ঠিক তখনই তিনি সংকল্প নেন - আর কোনো মানুষ যেন শুধু ওষুধের অভাবে মরতে না হয়।

কিন্তু এই পথ সহজ ছিল না। মাত্র ১২ বছর বয়সে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যান ওমকার। তবুও তিনি প্রতিদিন ৫–৬ কিলোমিটার হাঁটেন, ঘরে ঘরে ঘুরে অব্যবহৃত ওষুধ সংগ্রহ করেন। প্রতিটি ওষুধ তিনি নিজের হাতে নথিভুক্ত করেন - নাম, কোম্পানি, কোথা থেকে এসেছে এবং এক্সপায়ারি ডেট সবকিছু লিপিবদ্ধ থাকে তাঁর ডায়েরিতে। এরপর সেগুলো পৌঁছে যায় আশ্রম, বস্তি, সরকারি হাসপাতাল ও অভাবীদের হাতে।
আজ তাঁর দুই কামরার ভাড়াবাড়িই হয়ে উঠেছে এক ‘মেডিসিন ব্যাংক’। ফ্রিজ ভর্তি ইনজেকশন, ওষুধ, আর তাকজুড়ে অসংখ্য ট্রফি, সার্টিফিকেট, সংবাদপত্রের কাটিং,সবই তাঁর সমাজসেবার সাক্ষ্য বহন করছে। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ৫–৬ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ ওষুধ সংগ্রহ করে বিনামূল্যে বিলিয়ে দেন।
ব্যক্তিগত জীবনও কষ্টে ভরা। তিনি থাকেন স্ত্রী ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী ৪৫ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে। তবুও একটিবারও নিজের কষ্টকে প্রাধান্য দেননি, বরং অন্যের বেঁচে থাকার লড়াইকেই জীবনের লক্ষ্য বানিয়েছেন।
পুরস্কার ও স্বীকৃতি:
মানবিক সেবার জন্য তিনি পেয়েছেন গৌরব রত্ন পুরস্কারসহ একাধিক স্বীকৃতি। তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার,দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
ওমকার নাথ শর্মা আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন, সত্যিকারের সম্পদ হলো করুণা ও সেবা। বয়স, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কিংবা অর্থ,কিছুই তাঁর সংকল্পের সামনে টিকতে পারেনি। তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি জেলায় এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া।
নোট : যদি আপনি দিল্লির বাসিন্দা হন এবং ঘরে থাকা বাড়তি ওষুধ দান করতে চান, যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে: +91-9250243298।
পাহাড়, নদী আর কমলা লেবুর ছোঁয়ায় সিতং—লম্বা ছুটিতে ঘুরে আসার জন্য আদর্শ ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম।
চেক বাউন্স হলে আইনি নোটিস থেকে শুরু করে মামলা জরিমানা এমনকি জেল পর্যন্ত হতে পারে
গ্যালাপাগোস জায়ান্টদের ফিরে আসার গল্প
দীর্ঘ ই-মেলের সারাংশ এক নজরে দেখিয়ে পড়ার সময় ও ঝামেলা দুটোই কমাবে
গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে উত্তেজনা
ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বিশ্বের অন্যতম দক্ষ ও ভয়ংকর গোপন অভিযানের জন্য পরিচিত
প্রায় ৫০০ বিঘা বিস্তৃত এই বন একসময় জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ছিল
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যুক্ত হওয়া পাকিস্তানের তৈরি জে এফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে কৌশলগত মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা
সময়ের মধ্যে আবেদন করে শিক্ষাবৃত্তির সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন শিক্ষা দফতর
স্মার্টফোন থেকে ল্যাপটপ পর্যন্ত নানা পণ্যে মিলবে বিশেষ ছাড়, জেনে নিন শুরুর দিন
বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত শক্তি বাড়াতে হলদিয়াকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো জোরদার করার বড় উদ্যোগ
জোমাটো সিইও দীপিন্দর গোয়ালের কপালে দেখা ভাইরাল ‘যন্ত্র’টি আসলে একটি আধুনিক হেলথ-টেক ডিভাইস, যা মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ ও মানসিক চাপ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়
১৯ জন বৌদ্ধভিক্ষুকের শান্তি পদযাত্রার সঙ্গী আলোকা
প্রতিকূলতার মধ্যেও অবিচল লাল্টু চিত্রকর , কণ্ঠে সুর সঙ্গে তুলির টান, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা
স্নানঘরে একা নয় সঙ্গীকে নিন
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো