নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - একদিনের অল্প বৃষ্টিতেই বেহাল রাস্তার জেরে নাজেহাল এলাকাবাসী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাংকোবা এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাংকোবার এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি ৩টি বুথের মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। এই রাস্তাতেই নির্ভর করে মহকুমা শহরের একমাত্র গ্যাস গোডাউন এবং মাথাভাঙা মহাবিদ্যালয়ে পৌঁছনো। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, মসজিদ ও কবরস্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বিকল্প ব্যবস্থা নেই। অথচ বহু বছর ধরে এই পথের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই কাদা জমে চলাচল বিপজ্জনক হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

বাসিন্দাদের দাবি, ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি প্রশাসনের পোর্টালে রাস্তা সংস্কারের জন্য অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ এসে মাপঝোপ করে দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু পরে আর কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা সংস্কারের দাবিতে পথ অবরোধে সামিল হন। সেই সময় বিডিওর তরফে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ইতিমধ্যেই মঞ্জুর হয়েছে। তবু কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে এলাকায়।
পরে জেলায় অনুষ্ঠিত জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান স্থানীয়রা। কিন্তু দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও সমাধান না মেলায় ক্ষোভ আরও বাড়ে। গ্রামবাসীদের মতে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। একদিনের অল্প বৃষ্টিতেই যদি এমন দুর্দশা তৈরি হয়, তবে ভারী বর্ষায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাই দ্রুত সংস্কারের দাবি তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে এক স্থানীয় বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমকে জানান, 'আপনাদের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখছি। তিনি যদি এই খবর দেখেন, নিশ্চয়ই সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেবেন। এই মুহূর্তে আমরা আর কারও উপর নির্ভর করতে পারছি না। আশা করছি ভোটের আগেই কাজ শুরু হবে'।
অন্য এক বাসিন্দা সারাবেলা মিঞা বলেন, 'প্রতিদিন প্রায় ৪০০০ মানুষের চলাচল এই পথ দিয়ে। বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও উন্নতি দেখা যায়নি। আমাদের একটাই দাবি, দ্রুত রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করা হোক। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়