নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ক্যানিংয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফনা সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে সংঘাতের সূত্রপাত। ঘটনায় আহত হয়েছে ৫ আইএসএফ কর্মী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
শ্রীনগর সরদারপাড়ার বাসিন্দা কুতুবুদ্দিন পুরকাইত, আব্দুল আজিজ, আজবাহার, সাহাবুদ্দিন এবং আশরাফ পুরকাইত আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক ছিলেন। পরবর্তীকালে তারা আইএসএফে যোগ দেন। অভিযোগ, এরপর থেকেই তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। অভিযোগ, স্থানীয় কিছু তৃণমূল কর্মী তাদের দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছিলেন। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করতেই তাদের উপর হামলা চালানো হয়।
আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, ' তৃণমূল থেকে আইএসএফে যোগ দিয়েছি বলে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। জমি নিয়ে বিবাদ হওয়ায় আমাদের রড, লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের প্রধানের নির্দেশে আমাদের মারধর করা হচ্ছে। আমাদের দোকানপাঠ সবই বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। জোর জুলুম চালাচ্ছে। থানায় অভিযোগ করার পরেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।'
অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক বিবাদ এবং রাজনৈতিকভাবে তৃণমূলকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মতে, আইএসএফ রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ঘটনাকে অন্য রঙ দেওয়ার চেষ্টা করছে।
ঘটনায় ভীষণই হতাশ সেনা জওয়ানরা
ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কিত অভিভাবকরা
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে গ্রামবাসীরা
মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে দুঃখিত রাষ্ট্রপতি
বর্তমানে তিনি টাকি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
পুলিশের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ
ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কিত এলাকাবাসী
ঘটনায় সাময়িক যানজট তৈরি হয় এলাকায়
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ৪
ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে
অসীম সরকারবের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের
রাস্তায় বসে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা
ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুঙ্গে
তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে পুরুলিয়ায়
ভারত মহাসাগরে ইরানি যুদ্ধজাহাজ
রিপোর্ট প্রকাশ রাষ্ট্রপুঞ্জের
প্রকাশ্যে হামলার বেশ কয়েকটি ফুটেজ
ইরানের যুদ্ধজাহাজের কর্মীদের ‘আশ্রয়দাতা’ শ্রীলঙ্কা
রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ‘ছাড়পত্র’ আমেরিকার