নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - দুই নাবালিকার ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বৃদ্ধকে দোষী সাব্যস্ত করল মালদহ জেলা আদালত। পরিবারের সাহস, পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের জেরে শেষপর্যন্ত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। রায়ের পর পরিবার-পরিজন সহ আনন্দ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩ মে চার বছরের এক শিশুর মা, কাকিমা ইংলিশ বাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে বলা হয় এক বৃদ্ধ চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের দুই বাচ্চা মেয়েকে ডেকে যৌন নির্যাতন চালায়। বাড়ির উপরের তলা থেকে ঘটনাটি দেখে শিশুদের জেঠিমা। পরে তিনিই ছুটে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করেন।

মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে শুক্রবার বিচারক রাজীব সাহা সব দিক বিবেচনা করে কঠোর রায় ঘোষণা করেন। অভিযুক্তকে কুড়ি বছরের কারাবাসের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। নির্দিষ্ট অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে আরও দুই বছর কারাবাস ভোগ করতে হবে দোষীকে। একই সঙ্গে প্রতিটি নির্যাতিতা শিশুকে এক লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এই মামলার আইনজীবী সার্থক দাস জানান, 'শিশু নির্যাতন নিয়ে সাধারণত সমাজ নীরব থাকে। তবে এই পরিবার পিছিয়ে যায়নি। মোট ১৩ জন সাক্ষীর বয়ান অভিযুক্তের অপরাধ প্রমাণ করেছে। দীর্ঘ লড়াই শেষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আদালতের এই রায় ভবিষ্যতে অপরাধীদের কাছে কড়া বার্তা হিসেবে কাজ করবে'।
পুলিশের পক্ষ থেকে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে
ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ
ঘটনায় আহত এক বিজেপি কর্মী
সন্দেহভজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট দিয়েও বিপাকে বৃদ্ধ
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অতিথিদের বিশেষভাবে সম্মান জানানো হয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে
ইসকনে ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে আগত ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে
ভক্তি ও রঙের মেলবন্ধন মায়াপুরে
ঘটনার পর থেকে পলাতক লরির চালক
২৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় ছিটমহলবাসীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর