নিজস্ব প্রতিনিধি, ওয়াশিংটন - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। আমেরিকার ইতিহাসে কালো দিন। এই হামলার মূলচক্রী ছিলেন ওসামা বিন লাদেন। তাঁর প্রসঙ্গে এক বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রাক্তন সিআইএ আধিকারিক জন কিরিয়াকউ। তাঁর দাবি, “মহিলার ছদ্মবেশে পালিয়েছিল লাদেন।“
এক সাক্ষাৎকারে জন কিরিয়াকউ বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছিলাম কোনওভাবেই আবেগে ভেসে না যেতে। তাই প্রায় একমাস অপেক্ষা করা হয় এলাকাটি ভালো করে বুঝে নিতে। এরপরই আমরা আল কায়দার ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাতে শুরু করি। সেটাও মূলত দক্ষিণ ও পূর্ব আফগানিস্তানের পাস্তো এলাকায়। ২০০১ সালের অক্টোবরে আমরা বুঝতে পারি ওসামা বিন লাদেন ও আল কায়দার সব নেতাই ঠাঁই নিয়েছে তোরা বোরায়। কিন্তু আমাদের জানা ছিল না সেন্ট্রাল কমান্ডের যে কমান্ডার অনুবাদকের ভূমিকা পালন করছিল, সে আসলে আল কায়দার লোক!”
তিনি আরও বলেন, “আমরা লাদেনকে নেমে আসতে বললে সে জানায়, সন্ধে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। ওই অনুবাদকই আমাদের রাজি করে। মহিলা ও শিশুদের সেখান থেকে বেরতে দিই। কিন্তু সন্ধের পর দেখতে পাই তোরা বোরায় কেউই নেই আর! বুঝতে পারি, অন্ধকারের ফায়দা তুলে শেষ সময়ে সেখান থেকে অন্তর্হিত হয়েছে লাদেন, মহিলার ছদ্মবেশে। একটি ট্রাকের পিছনে লুকিয়ে সে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল।“
অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঁচ গোটা বিশ্বে
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর