নিজস্ব প্রতিনিধি, তেহরান - ১ মাসের বেশি সময় ধরে চলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে প্রায় অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। আটকে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার জাহাজ। প্রাণভয়ে রয়েছেন ২০ হাজারের বেশি নাবিক, কর্মী। যখন তখন বোমা-বর্ষণ, মিসাইল, ড্রোন হামলা হচ্ছে। অনিশ্চিতের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন হরমুজে আটকে থাকা নাবিক, কর্মীরা।
নাবিকদের আবেদন, “আমরা এখানে মরতে চাই না। আমাদের উদ্ধার করুন। খাবার, জলের ব্যবস্থা করুন।“ আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল জানান, “তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপে এবার প্রভাব পড়বেই। এপ্রিল মাসে তেলের ক্ষতি মার্চের তুলনায় দ্বিগুণ হবে, তার সঙ্গে এলএনজি-র ক্ষতিও যুক্ত হবে। এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হল জেট ফুয়েল ও ডিজেলের অভাব। এশিয়ার ইতিমধ্যেই তা লক্ষিত হয়েছে। আমার ধারণা, শীঘ্রই এপ্রিল বা মে মাসে, এই নেতিবাচক প্রভাব ইউরোপেও দেখা যাবে।“
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীতে ৩ টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার। এর জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশছোঁয়া। দীর্ঘ সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে তেলের দাম ২০০ ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরানের তেল রফতানি করে সবচেয়ে বেশি। প্রায় ৯০ শতাংশ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্য়াঙ্কারে করে নিয়ে যাওয়া হয় বিশ্বজুড়ে ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল।
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...