নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - প্রতিভা যে শুধুই মঞ্চের খোজ করে বিষয়টা এমন নয়। কখন যে কিভাবে কারোর প্রতিভা মন ছুঁয়ে যাবে সকলের জানেন না কেউই। তবে থেমে থাকাটা সমাধান নয় , নিজের কাজ করে যাও। ছোটবেলা থেকেই হাতের কাজে আগ্রহী সুস্মিতা মহান্ত। তবে বিগত চার বছর ধরে বিশেষভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।
হলদিবাড়ি ১১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা সুস্মিতা। পেশায় কলেজ ছাত্রী। EIILM কলকাতার জলপাইগুড়ি ক্যাম্পাসের বিসিএ ডিপার্টমেন্টে শিক্ষারত তিনি। বিগত চার বছর ধরেই পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন জিনিসের ওপর কলকা ও নকশা এঁকে ঘর সাজানোর জিনিস তৈরি করেন। বিশেষ কোনো মঞ্চ না পেলেও নিজের কাজ করে গেছেন। একের পর এক আকর্ষণীয় শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তুলেছেন। এই বছর তার সৃষ্টি মাটির থালার ওপর দুর্গা প্রতিমার মুখ।

সম্পূর্ণ রান্না ঘরের চেনা উপকরণ যেমন মুসুর ডাল , মুগ ডাল , কালো করে ব্যবহার করেই অসাধারণ এই প্রতিভা ফুটিয়ে তুলেছেন। ইতিমধ্যেই এই বিশেষ শিল্পকলাটি প্রশংসিত হয়েছে শহরবাসীর কাছে। ভবিষ্যতে এই হস্তশিল্পকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন তিনি। এখনও অবধি কোনো বড় মঞ্চ না পেলেও ভবিষ্যতে এই শিল্পকলার আরও বিস্তার করতে চান সুস্মিতা। শুধু তাই নয় নিজের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলারও স্বপ্ন দেখছেন সুস্মিতা।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়