নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড়সড় ভাঙন শাসক শিবিরে। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে দলীয় কর্মসূচির মাঝেই কংগ্রেসে যোগ দিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা মুটিয়া মজদুর ইউনিয়নের জেলা সভাপতি খোকন মিঞা। এই দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে এক বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন ‘হাত’ শিবিরের একাধিক শীর্ষ পদাধিকারী ও কর্মীসমর্থক। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে শিবির পরিবর্তন করেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা খোকন মিঞা। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে স্বাগত জানানো হয়।

১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত খোকন মিঞা শাসক দলের যুব সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে প্রায় এক দশক ব্লক স্তরের সাংগঠনিক কার্যক্রম সামলেছেন। তৃণমূলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এই প্রবীণ ব্যক্তিত্ব যোগদানের মুহূর্তে অত্যন্ত আবেগঘন হয়ে ওঠেন। তিনি অভিযোগ করেন, শাসক দল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মীদের অবজ্ঞা করে বাইরের ব্যক্তিদের প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছে।
খোকন মিঞার দাবি, যারা বছরের পর বছর ছেঁড়া জুতো পরে প্রচার চালিয়েছে, পোস্টার লাগিয়েছে, তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, 'কোনও কর্পোরেট কি তৃণমূলকে কিনে নিয়েছে?' নেতৃত্বের এমন একনায়কসুলভ আচরণের জেরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান। পাশাপাশি তাঁকে দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ে নামানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।
খোকন মিঞা বলেন, 'সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই। আমি একসময় কংগ্রেস করতাম, তাই আবার নিজের পুরনো দলে ফিরে এলাম। দেশের প্রবীণতম গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংগঠনে যোগ দিলাম। উত্তরবঙ্গে এই দলকে শক্তিশালী করাই আমার লক্ষ্য। কোচবিহার সহ গোটা অঞ্চলে বিজয়ের পতাকা ওড়াতে চাই'।
কংগ্রেসের এক নেতা বলেন, 'রাহুল গান্ধীর নির্দেশে আমরা এবার এখানে ৯টি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। খোকনদা অভিজ্ঞ ব্যক্তি, তাঁকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য জনতার সমর্থন নিয়ে এমন লড়াই গড়ে তোলা যাতে এই দলকে ছাড়া বাংলায় সরকার গঠন সম্ভব না হয়'।
অন্য এক নেতৃত্ব জানান, 'দীর্ঘ ৫ দশক ধরে আমরা এখানে সংগঠন চালিয়ে যাচ্ছি। নির্দেশ অনুযায়ী বাংলায় শক্ত ভিত গড়ে তুলতে হবে। একসময় শূন্য অবস্থা থাকলেও ধীরে ধীরে আমরা এগিয়ে চলছি। মানুষের আশীর্বাদ পেলে সাফল্য আসবেই বলে আমাদের বিশ্বাস'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়