নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - পৃথিবীর বুকের নিচে যেন লুকিয়ে আছে এক অলৌকিক সম্পদ— সোনা হাজার বছর ধরে এই ধাতুর প্রতি মানুষের টান কখনো কমেনি। রাজা-রাজড়ার মুকুট থেকে শুরু করে আধুনিক ব্যাংকের ভল্ট—সবখানেই সোনাই ক্ষমতার প্রতীক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আজকের পৃথিবীতে মাটির নিচে কত সোনা বাকি আছে? কোন দেশ সেই ভান্ডারের প্রকৃত অধিপতি?
অস্ট্রেলিয়া: সোনার আধিপত্যের দেশ
বিশ্বের মাটির নিচে সবচেয়ে বেশি সোনা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়—প্রায় ১০,০০০ টন । দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের Kalgoorlie Super Pit খনি যেন এক সোনার নগরী। এখানকার মাটি থেকে প্রতিদিন টন টন সোনা উঠে আসে। প্রযুক্তিনির্ভর খনি ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব নীতি ও দক্ষ জনবল অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্ব সোনা উত্তোলনের শীর্ষে রেখেছে।
রাশিয়া: বরফের নিচে স্বর্ণভান্ডার
রাশিয়ার বিশাল সাইবেরিয়া অঞ্চল শুধু ঠান্ডা নয়, সোনার জন্যও বিখ্যাত। প্রায় ৮,০০০ টন সোনা রয়েছে এখানে। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই স্বর্ণখনি উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় সহায়তা দিচ্ছে। ঠান্ডা আবহাওয়া ও দুর্গম ভূখণ্ডের মাঝেও সোনা উত্তোলনের এ এক দুঃসাহসিক অভিযান।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ইতিহাসের সোনালী অধ্যায়
যে দেশ থেকে আধুনিক সোনা খনির ইতিহাস শুরু, সেই দক্ষিণ আফ্রিকা আজও বিশ্বসেরা উৎপাদনকারীদের মধ্যে। Witwatersrand অঞ্চলের খনিগুলো একসময় পৃথিবীর অর্ধেক সোনার জোগান দিত। বর্তমানে মজুদ আছে প্রায় ৬,০০০ টন । যদিও খনিগুলো এখন অনেক গভীরে, তবুও এই অঞ্চলের সোনার গল্প এখনো উজ্জ্বল।
চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যরা
চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দু’দেশই প্রায় সমান পরিমাণ সোনা ধারণ করে—প্রায় ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টন পর্যন্ত। যুক্তরাষ্ট্রের Nevada রাজ্যের Carlin Trend খনি বিশ্বের অন্যতম ধনী স্বর্ণভান্ডার। অন্যদিকে চীন নতুন প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় খনি ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুতগতিতে উৎপাদন বাড়াচ্ছে।
এছাড়া উজবেকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, পেরু ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোও সোনার খনিতে সমৃদ্ধ। বিশেষ করে উজবেকিস্তানের Muruntau খনি এতই বিশাল যে, সেটি মহাকাশ থেকেও চিহ্নিত করা যায়।
সোনা শুধু ধন নয়—এটি ইতিহাস, ক্ষমতা ও মানুষের লোভের প্রতীক। পৃথিবীর মাটির নিচে যত সোনা-ই থাকুক না কেন, সেটি তোলা উচিত দায়িত্ব ও দূরদৃষ্টির সঙ্গে। কারণ প্রকৃতি যদি রুষ্ট হয়, তবে সেই সোনার দীপ্তিও ম্লান হয়ে যাবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর