নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - পড়ুয়াদের পাঠদানের মধ্যে আচমকাই ছন্দপতন। অনুমতি ছাড়াই শ্রেণীকক্ষে ঢুকে পড়লেন স্থানীয় বিধায়ক। ক্লাসরুম কেন অপরিচ্ছন্ন এই প্রশ্ন তুলে প্রকাশ্যেই শিক্ষকের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়লেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিধায়কের সমালোচনায় সরব হয়েছে শাসক দল।
মঙ্গলবার দুপুরে কুসমুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীর ক্লাস নিচ্ছিলেন শিক্ষক গোলকবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক সেই সময় আচমকা ক্লাসরুমে ঢুকে পড়েন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া। ক্লাস চলাকালীন বিনা অনুমতিতে বিধায়কের এই প্রবেশে আপত্তি জানান শিক্ষক। পাল্টা চড়া সুরে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন শ্রেণীকক্ষের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে। মেঝের ধুলোবালি দেখে শিক্ষককে ধমক দিতে শুরু করেন বিধায়ক।
পাল্টা শিক্ষক গোলকবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, স্কুলে সাফাইকর্মীর অভাব রয়েছে। পড়ুয়াদের সামনেই দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে শিক্ষক ও বিধায়কের উত্তপ্ত বাদানুবাদ। এরপর বিধায়ক প্রধান শিক্ষকের ঘরে গিয়ে স্কুলের পরিকাঠামো নিয়ে কথা বলেন এবং ক্ষোভ উগরে দেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
শাসক দলের পক্ষ থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ইন্দাস তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি শেখ হামিদ বলেন, ' ক্লাস চলাকালীন সেখানে প্রবেশ করতে হলে শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে করতে হয়। কিন্তু সেখানে বিধায়ক তার দলবল নিয়ে শিক্ষকের অনুমতি ছাড়াই ক্লাসে প্রবেশ করেছে। শুধু তাই নয়, পড়ুয়াদের সামনে শিক্ষককে যে ভাবে অপমান করেছে সেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিজেপি দলটাই এরম ধুমকি দিয়ে চলে। বিগত ৫ বছরে তিনি কোথাও যায়নি। এখন নির্বাচন এসছে বলে নাটকীয় মঞ্চ তৈরি করার জন্য রাজনীতি করতে গেছে।'
যদিও বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধারার বক্তব্য, ' বিধানসভা অধিবেশন চলাকালীন আমি এই স্কুল ও পাশের প্রাইমারি স্কুলের উন্নতির জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিলাম। সেখানে ব্রাত্য বসু দুটো স্কুলের জন্যই ২ লক্ষ টাকা করে অনুমোদন করেছিলেন। সেখানে প্রাইমারি স্কুলে কাজ হয়েছে। কিন্তু এই হাইস্কুলে পুরো নোংরা অবস্থা হয়ে আছে দেখেই আমি স্কুলে ঢুকে শিক্ষককে বলেছিলাম যে এরম অবস্থা পরিষ্কার কেন করা হয়না। স্কুলের যে কমিটি আছে তারা তদন্ত করে দেখবে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়