নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ভারত বিশ্বের অন্যতম নিরাপত্তা সচেতন রাষ্ট্রগুলোর একটি। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা, বিদেশে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভারতের রয়েছে বেশ কয়েকটি দক্ষ ও সংগঠিত গোয়েন্দা সংস্থা।
একটি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা সংস্থার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ, বিদেশি রাষ্ট্রের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ, সন্ত্রাসবাদের হুমকি রোধ এবং কৌশলগত তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এসব সংস্থা জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।

১. রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (RAW) -
RAW ভারতের প্রধান বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা দেশের বিদেশ নীতি ও কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহায়তা করে। বিদেশি রাষ্ট্রের সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তথ্য সংগ্রহ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ RAW–এর মূল কাজ।
২. ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB) -
এটি ভারতের সবচেয়ে পুরনো গোয়েন্দা সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠা ১৮৮৭ সালে। IB মূলত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানে নিরাপত্তা মূল্যায়নের দায়িত্ব পালন করে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে IB গোটা দেশের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা করে।
৩. ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (DIA) -
২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত DIA হল ভারতের সামরিক বাহিনীর সমন্বিত গোয়েন্দা সংস্থা। স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য সমন্বয়, সামরিক কৌশল বিশ্লেষণ এবং যুদ্ধক্ষেত্রে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের দায়িত্ব এই সংস্থার উপর। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে DIA–এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন (NTRO) - এটি ভারতের প্রযুক্তি–ভিত্তিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা ২০০৪ সালে গঠিত হয়। সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি, স্যাটেলাইট নজরদারি, সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে NTRO কাজ করে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গোয়েন্দা ব্যবস্থায় NTRO ভারতকে এক ধাপ এগিয়ে রাখে।
৫. ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) -
২০০৮ সালের মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের কেন্দ্রীয় সন্ত্রাসবিরোধী তদন্ত সংস্থা হিসেবে NIA প্রতিষ্ঠিত হয়। সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন, সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভাঙা, সংগঠিত অপরাধ তদন্ত এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সংবেদনশীল মামলার দায়িত্ব এ সংস্থা পালন করে।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেবল দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। RAW থেকে শুরু করে NIA পর্যন্ত প্রতিটি সংস্থাই বিশেষ দক্ষতা ও দায়িত্ব নিয়ে দেশের নিরাপত্তার দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলার প্রস্তুতির মাধ্যমে ভারত তার গোয়েন্দা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করছে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর