নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে ঘিরে ফের মুখোমুখি সংঘাতে জড়ালেন তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক ও বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। প্রকাশ্য সভা থেকে পার্থ ভৌমিককে পেটানোর নিদান অর্জুনের। পাল্টা হুঁশিয়ারি তৃণমূলের নেতার।
সম্প্রতি সাংসদ পার্থ ভৌমিকের নির্দেশে জগদ্দলে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে মজদুর ভবনের কাছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের নেতৃত্বে ওই বিক্ষোভে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ওঠে। এই ঘটনার সাত দিনের মধ্যেই নৈহাটিতে নিজের বাসভবনের কাছে সভা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান অর্জুন সিং। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নৈহাটির গরুরফাঁড়ি মোড়ে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভায়' বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্জুন সিং বলেন, ' এখনও বলছি পার্থ ভৌমিককে জয় বাংলা বললে পেটাবো। তোমার বাড়ির সামনে গিয়ে সভা করবো।'
অর্জুন সিংয়ের দাবি, ' ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বাংলাদেশ ও বাংলার বিভিন্ন হিংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। জয় বাংলা বলে বাংলায় চন্দন দাস ও হরগোবিন্দ দাসকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। এই জয় বাংলা জিহাদিদের স্লোগান, বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের স্লোগান।' পার্থ ভৌমিককে হুঁশিয়ারি দিয়ে অর্জুন সিং বলেন, ' পার্থ ভৌমিক কী ভেবেছো? জয় বাংলা স্লোগান তুলে এই জেহাদিরা তোমার বাড়ি পোড়াবে না তার কী কোনও নিশ্চয়তা আছে? তখন তোমার কী হাল হয় দেখো। জয় বাংলা স্লোগান বলে কোন বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা, পাকিস্তানি বাড়ি পোড়াতে গেলে তাদের পেটাবো, থাপরাবো। তোমার কত দম আছে দেখবো।'
এর জবাবে পালটা প্রতিক্রিয়া দেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক। তিনি বলেন, ' আসলে বাংলাদেশের জামাত’ও যা, এখানের আরএসএসও তাই। দুটোই উগ্র মৌলবাদী। বিজেপির আমলে ধর্ষকরা ছাড়া পায়, খুনিদের ছাড়ার প্রার্থনা করে।' একইসঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে পার্থ ভৌমিক জানান, 'জয় বাংলা বলার জন্য যদি একজনের গায়েও হাত তোলা হয়, তাহলে অর্জুন সিংয়ের পরিণতি কী হবে, তা ব্যারাকপুরের মানুষ ঠিক করে দেবে।'
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়